শেরপুরে চুরির উপদ্রব বৃদ্ধি, এক চোর আটক
শেরপুরের বিভিন্ন গ্রামে হঠাৎ করেই চুরির উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বসতবাড়ি থেকে শুরু করে কৃষকের মাঠের সেচ পাম্প, ট্রান্সফরমার এবং বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। গত এক মাসে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটলেও সম্প্রতি গ্রামবাসী হাতেনাতে এক চোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মার্চ (রবিবার) ভোর রাতে মাথাইল চাপর গ্রামের জাহাঙ্গীর ইসলামের ৩টি ট্রান্সফরমার ও ২টি সাবমারসিবল পাম্পের তার চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোর চক্র। এর মাত্র এক মাস আগেও একই স্থান থেকে তার চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাউন কলোনী এলাকায় মনিরুজ্জামানের ভাড়া বাসার দরজার তালা ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা বাসা থেকে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ দেড় হাজার টাকা লুট করে। ওই একই রাতে বীরগ্রামের হাবিবুর রহমানের সাবমারসিবল পাম্প ও ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ১০০ মিটার কোরিয়ান তার চুরি হয়।এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত এক মাসে বীরগ্রাম, মাকড়খোলা ও তালতা গ্রামে চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে বীরগ্রামের তোতা মিয়ার সাবমারসিবল, ১২ ফেব্রুয়ারি রাত
শেরপুরের বিভিন্ন গ্রামে হঠাৎ করেই চুরির উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বসতবাড়ি থেকে শুরু করে কৃষকের মাঠের সেচ পাম্প, ট্রান্সফরমার এবং বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। গত এক মাসে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটলেও সম্প্রতি গ্রামবাসী হাতেনাতে এক চোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মার্চ (রবিবার) ভোর রাতে মাথাইল চাপর গ্রামের জাহাঙ্গীর ইসলামের ৩টি ট্রান্সফরমার ও ২টি সাবমারসিবল পাম্পের তার চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোর চক্র। এর মাত্র এক মাস আগেও একই স্থান থেকে তার চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাউন কলোনী এলাকায় মনিরুজ্জামানের ভাড়া বাসার দরজার তালা ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা বাসা থেকে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ দেড় হাজার টাকা লুট করে। ওই একই রাতে বীরগ্রামের হাবিবুর রহমানের সাবমারসিবল পাম্প ও ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ১০০ মিটার কোরিয়ান তার চুরি হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত এক মাসে বীরগ্রাম, মাকড়খোলা ও তালতা গ্রামে চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে বীরগ্রামের তোতা মিয়ার সাবমারসিবল, ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে আব্দুর রাজ্জাকের বাইসাইকেল ও জামাল উদ্দিনের সিএনজির ব্যাটারি চুরি হয়। এছাড়া মাকড়খোলা গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও আইয়ুব আলীর ২টি পাওয়ার টিলার মেশিন, রতন হোসেন, আলা উদ্দিন ও গোলাম হোসেনের (গোলাই হাজ্বী) সাবমারসিবল এবং মাথাইল চাপর গ্রামের মোনাইম হোসাইনের সাবমারসিবল তার চুরির ঘটনা ঘটে। আড়ংশাইল গ্রামের ইয়াকুব আলী ও বেনার হাজ্বীর পানি সেচ দেওয়ার মটরের তারও চোরেরা কেটে নিয়ে যায়।
ধারাবাহিক এসব চুরির ঘটনায় গ্রামবাসী সতর্ক অবস্থানে ছিল। এরই জের ধরে মাকড়খোলা গ্রামের খইমুদ্দিনের ছেলে হৃদয় (২৭) নামের এক যুবককে সাবমারসিবল পাম্পসহ হাতেনাতে আটক করে গ্রামবাসী। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে চুরির কথা স্বীকার করলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় বীরগ্রামের হাবিবুর রহমান ও মাথাইল চাপর গ্রামের জাহাঙ্গীর ইসলাম বাদী হয়ে ১ মার্চ শনিবার শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আটককৃত হৃদয় ছাড়াও একই গ্রামের জলিল ও রানার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, চুরির ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছি। এই চক্রের সাথে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?