শেরপুরে নার্সারিতে আগুন ও ভাঙচুর, ক্ষয়ক্ষতি লক্ষাধিক!
বগুড়ার শেরপুরে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে একটি নার্সারির ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এতে নার্সারির শতাধিক মূল্যবান গাছ ও সরঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একই রাতে পাশের আরেকটি নার্সারির ঘরও ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২২ জুন) ভোররাতে উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের মহিপুর বালাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন মহিপুর জামতলা এলাকার জেল হোসেনের ছেলে কামরুজ্জামান রনি (সোহাগ নার্সারির মালিক) এবং সাধুবাড়ী এলাকার তোজাম্মেল হকের ছেলে অসীম (অসীম নার্সারির মালিক)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে হেলাল নামের এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে সোহাগ নার্সারির মালিক কামরুজ্জামান রনিকে জানান যে তার নার্সারির ঘরে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে রনি দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পান তার ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে ঘরের ভেতরে থাকা নার্সারির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ওষুধ ও মেশিনপত্র পুড়ে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া আগুনের তীব্রতায় নার্সারির শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পুড়ে বিনষ্ট হয়। এদিকে একই সময়ে দুর্বৃত্তরা পাশের অসীমের নার্সারির কভার ও ঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। ক্ষতিগ্রস্ত নার্সারি মালিক
বগুড়ার শেরপুরে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে একটি নার্সারির ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এতে নার্সারির শতাধিক মূল্যবান গাছ ও সরঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একই রাতে পাশের আরেকটি নার্সারির ঘরও ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (২২ জুন) ভোররাতে উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের মহিপুর বালাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন মহিপুর জামতলা এলাকার জেল হোসেনের ছেলে কামরুজ্জামান রনি (সোহাগ নার্সারির মালিক) এবং সাধুবাড়ী এলাকার তোজাম্মেল হকের ছেলে অসীম (অসীম নার্সারির মালিক)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে হেলাল নামের এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে সোহাগ নার্সারির মালিক কামরুজ্জামান রনিকে জানান যে তার নার্সারির ঘরে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে রনি দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পান তার ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে ঘরের ভেতরে থাকা নার্সারির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ওষুধ ও মেশিনপত্র পুড়ে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া আগুনের তীব্রতায় নার্সারির শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পুড়ে বিনষ্ট হয়।
এদিকে একই সময়ে দুর্বৃত্তরা পাশের অসীমের নার্সারির কভার ও ঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। ক্ষতিগ্রস্ত নার্সারি মালিক কামরুজ্জামান রনি ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে আমার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। এতে আমার যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তার চেয়েও বড় সংকটে পড়েছি আমার ব্যবসা নিয়ে। আমি এখন দিনরাত চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আশঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
অন্য ভুক্তভোগী অসীম বলেন, আমার নার্সারির ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এলাকায় আমার কোনো শত্রু নেই। কিন্তু দুর্বৃত্তরা কেন হঠাৎ এমন শত্রুতা করল, তা আমি বুঝতেই পারছি না। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?