শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসন ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের একটি কর্মসূচি চলছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, চেয়ারের ছোড়াছুড়ি এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শেরপুর- ৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, “ঝিনাইগাতীতে শান্তিপূর্ণ ইশতেহার ঘোষণার কর্মসূচিতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, যা দুঃখজনক। এটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে হোক। মানুষ আস্থা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে সি
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসন ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের একটি কর্মসূচি চলছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, চেয়ারের ছোড়াছুড়ি এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শেরপুর- ৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, “ঝিনাইগাতীতে শান্তিপূর্ণ ইশতেহার ঘোষণার কর্মসূচিতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, যা দুঃখজনক। এটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে হোক। মানুষ আস্থা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, সহিংসতার মাধ্যমে নয়।”
এ বিষয়ে শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সূরা সদস্য হাফেজ জাকারিয়া মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন বলেন, “আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর বেশি তথ্য আমি এখনও জানি না।”
ঘটনার পর পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে টহল জোরদার করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
What's Your Reaction?