শেরপুরে সেমাই কারখানায় ভয়াবহ আগুন: ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকায় একটি লাচ্ছা সেমাই কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শেষ রাতের দিকে লাগা এই আগুনে কারখানার ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ লাচ্ছা সেমাই ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কারখানার মালিকের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাঁর প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। স্থায়ীয় ও কারখানা সূত্রে জানা যায়, আজ ভোর আনুমানিক চারটার দিকে ‘নাহিদ এন্ড নাঈম ফুড প্রোডাক্টস’ নামের ওই কারখানায় হঠাৎ করেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। কারখানার ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ তৈরি লাচ্ছা সেমাই ও উৎপাদন সামগ্রী আগুনে পুড়তে থাকে। স্থানীয় সংবাদকর্মীদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাতে লাচ্ছা সেমাই ভাজার পর চুলার পাশেই স্তূপ করে রাখা হয়েছিল। সেমাইগুলো তৈলাক্ত হওয়ায় চুলার অবশিষ্ট অংশ বা তাপ থেকে দ্রুত আগুন ধরে যায় এবং পরবর্তীতে তা ভয়াবহ রূপ নেয়। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান ‘নাহিদ এন্ড নাঈম ফুড প্রোডাক্টস’-এর মালিক হেলাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ভোর চারটার দিকে আচমকা কারখানায় আগুন লাগে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুরো কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে আমার ক
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকায় একটি লাচ্ছা সেমাই কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শেষ রাতের দিকে লাগা এই আগুনে কারখানার ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ লাচ্ছা সেমাই ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
কারখানার মালিকের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাঁর প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। স্থায়ীয় ও কারখানা সূত্রে জানা যায়, আজ ভোর আনুমানিক চারটার দিকে ‘নাহিদ এন্ড নাঈম ফুড প্রোডাক্টস’ নামের ওই কারখানায় হঠাৎ করেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। কারখানার ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ তৈরি লাচ্ছা সেমাই ও উৎপাদন সামগ্রী আগুনে পুড়তে থাকে। স্থানীয় সংবাদকর্মীদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাতে লাচ্ছা সেমাই ভাজার পর চুলার পাশেই স্তূপ করে রাখা হয়েছিল।
সেমাইগুলো তৈলাক্ত হওয়ায় চুলার অবশিষ্ট অংশ বা তাপ থেকে দ্রুত আগুন ধরে যায় এবং পরবর্তীতে তা ভয়াবহ রূপ নেয়। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান ‘নাহিদ এন্ড নাঈম ফুড প্রোডাক্টস’-এর মালিক হেলাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ভোর চারটার দিকে আচমকা কারখানায় আগুন লাগে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুরো কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে আমার কারখানার সব লাচ্ছা সেমাই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
এদিকে খবর পেয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার ফাইটারদের বেশ কিছুক্ষণের আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে কারখানার অধিকাংশ মালামাল পুড়ে যায়। শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার নুরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও আগুনের সুনির্দিষ্ট সূত্রপাত এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এই অঞ্চলের সেমাই কারখানাগুলোতে ব্যস্ততা বাড়ার মাঝেই এমন আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটলো। অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনায় ওই এলাকায় ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
What's Your Reaction?