শেষ মুহূর্তে মিরপুর এলাকায় জমে উঠেছে ছাগলের বিক্রি

ঈদুল আজহার আগের শেষ দিনে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ছাগলের বিক্রি জমে উঠেছে। শুরুতে গরুর বাজারে বেচাকেনায় বেশি মনোযোগ থাকলেও শেষ মুহূর্তে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে ছাগলের ক্রেতার। তুলনামূলক কম দামে কোরবানি দেওয়ার সুযোগ থাকায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকেই শেষ পর্যন্ত ছাগল কেনার দিকে ঝুঁকছেন। পাশাপাশি, স্বচ্ছল পরিবারের অনেকেই শখ ও পছন্দ থেকে কোরবানির জন্য ছাগল কিনছেন। বুধবার (২৭ মে) রাজধানীর কচুক্ষেত, মিরপুর ৬ ও মিরপুর ১৩ নম্বরসহ বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। সরেজনি দেখা যায়, সকাল থেকেই ছাগলের সারিতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। বিকেলের পর সেই চাপ আরও বেড়ে যায়। বিক্রেতারা বলছেন, যারা কয়েকদিন ধরেও গরু কিনতে পারেননি বা দাম নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ শেষ সময়ে এসে ছাগল কিনছেন। মিরপুর ৬ নম্বর হাটে ছাগল কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী রাজিব খোন্দকার বলেন, গরুর দাম আমাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। পরিবার নিয়ে আলোচনা করে শেষ পর্যন্ত ছাগল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কম খরচে কোরবানি দেওয়া যাবে বলে। তিনি বলেন, আমি ১৯ হাজার টাকায় একটা ছাগল কিনেছি। ইচ্ছা ছিল গরু কিনবো এবং ভাগে কোরবানি

শেষ মুহূর্তে মিরপুর এলাকায় জমে উঠেছে ছাগলের বিক্রি

ঈদুল আজহার আগের শেষ দিনে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ছাগলের বিক্রি জমে উঠেছে। শুরুতে গরুর বাজারে বেচাকেনায় বেশি মনোযোগ থাকলেও শেষ মুহূর্তে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে ছাগলের ক্রেতার।

তুলনামূলক কম দামে কোরবানি দেওয়ার সুযোগ থাকায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকেই শেষ পর্যন্ত ছাগল কেনার দিকে ঝুঁকছেন। পাশাপাশি, স্বচ্ছল পরিবারের অনেকেই শখ ও পছন্দ থেকে কোরবানির জন্য ছাগল কিনছেন।

বুধবার (২৭ মে) রাজধানীর কচুক্ষেত, মিরপুর ৬ ও মিরপুর ১৩ নম্বরসহ বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। সরেজনি দেখা যায়, সকাল থেকেই ছাগলের সারিতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। বিকেলের পর সেই চাপ আরও বেড়ে যায়।

বিক্রেতারা বলছেন, যারা কয়েকদিন ধরেও গরু কিনতে পারেননি বা দাম নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ শেষ সময়ে এসে ছাগল কিনছেন।

মিরপুর ৬ নম্বর হাটে ছাগল কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী রাজিব খোন্দকার বলেন, গরুর দাম আমাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। পরিবার নিয়ে আলোচনা করে শেষ পর্যন্ত ছাগল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কম খরচে কোরবানি দেওয়া যাবে বলে।

তিনি বলেন, আমি ১৯ হাজার টাকায় একটা ছাগল কিনেছি। ইচ্ছা ছিল গরু কিনবো এবং ভাগে কোরবানি দেবো কিন্তু শেষ মুহূর্তে একটা ঝামেলার কারণে আর হয়ে ওঠেনি।

আরেক ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শেষ দিনে দাম কিছুটা কমবে ভেবে অপেক্ষা করছিলাম। এখন দেখছি ভালো ছাগল দ্রুত বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। তাই ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে একটা কিনে ফেললাম। আমরা প্রতিবছরই গরুর সঙ্গে ছাগল কোরবানি দিয়ে থাকি।

বিক্রেতারাও তুলনামূলক ভালো মূল্য পেয়ে খুশি এবং তারা তাদের ছাগলগুলো বিক্রি করতে পারছেন। কিশোরগঞ্জে থেকে মো. রাব্বি নামের একজন ব্যবসায়ী ১৭ টি ছাগল নিয়ে ঢাকার মিরপুর ১৩ নম্বর বাজারে এসেছেন। তিনি ১২টি ছাগলই বিক্রি করেছেন।

ব্যাপারী রাব্বি বলেন, আমার মাত্র পাঁচটি ছাগল বিক্রি বাকি আছে এবং ভালো দামে বিক্রি করেছি। শুরুতে ভাবছিলাম বিক্রি করতে পারবো না, তবে শেষ মুহূর্তের ভিড়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এবং আশা করছি সন্ধ্যার মধ্যে বিক্রি শেষ করে ফেলবো।

জামালপুর থেকে মিরপুর ১৪ নম্বরে আসা ব্যাপারী রাসেল বলেন, আমি ১৫ ছাগল নিয়ে এসেছিলাম। আজকে ১২টিই বিক্রি করে ফেলেছেন। মোটামুটি ভালো দামে বিক্রি করেছি এবং লাভও ভালো হবে। বাকি তিনটি বিক্রি করে গ্রামে রওয়ানা হবো।

আইএইচও/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow