শৈশব থেকেই এমন এক গোলের স্বপ্ন দেখতাম: লাউতারো মার্তিনেস

আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের মহাকাব্যিক জয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করার পর আর্জেন্টিনা শিবিরে এখন শুধুই উচ্ছ্বাস আর আবেগের জোয়ার। ড্রেসিংরুম থেকে শুরু করে মাঠের উদযাপন- সবখানেই গান আর উল্লাসের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের চোখে দেখা গেছে আনন্দাশ্রু। তবে আলবিসেলেস্তেদের এই জয়োৎসবের মাঝে সবচেয়ে বেশি আবেগে ভেসেছেন ম্যাচের জয়সূচক গোলের নায়ক লাউতারো মার্তিনেস। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অশ্রুভেজা কণ্ঠে এই স্ট্রাইকার জানান, এমন একটি মুহূর্তের স্বপ্ন তিনি শৈশব থেকেই দেখে আসছিলেন। আবেগে কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসা মার্তিনেস বলেন, সত্যি বলতে এই অনুভূতি প্রকাশ করার মতো ভাষা আমার জানা নেই। অনুভূতিটা এতটাই গভীর! বাবা যখন প্রথম আমার জন্য এক জোড়া ফুটবল বুট কিনে দিয়েছিলেন, ঠিক তখন থেকেই দেশের হয়ে এমন একটি গোল করার স্বপ্ন দেখতাম। শৈশবের স্মৃতি আর মায়ের কথা বলতে গিয়ে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি এই তারকা। কান্নাজড়ানো কণ্ঠে তিনি বলেন, এই বিশেষ মুহূর্তটি আমার মায়ের জন্য। আমি যেদিন রেসিং ক্লাবে যোগ দিতে ঘর ছেড়েছিলাম, সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি আমার ঘরের বিছানাটি গুছিয়ে

শৈশব থেকেই এমন এক গোলের স্বপ্ন দেখতাম: লাউতারো মার্তিনেস

আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের মহাকাব্যিক জয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করার পর আর্জেন্টিনা শিবিরে এখন শুধুই উচ্ছ্বাস আর আবেগের জোয়ার। ড্রেসিংরুম থেকে শুরু করে মাঠের উদযাপন- সবখানেই গান আর উল্লাসের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের চোখে দেখা গেছে আনন্দাশ্রু।

তবে আলবিসেলেস্তেদের এই জয়োৎসবের মাঝে সবচেয়ে বেশি আবেগে ভেসেছেন ম্যাচের জয়সূচক গোলের নায়ক লাউতারো মার্তিনেস। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অশ্রুভেজা কণ্ঠে এই স্ট্রাইকার জানান, এমন একটি মুহূর্তের স্বপ্ন তিনি শৈশব থেকেই দেখে আসছিলেন।

আবেগে কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসা মার্তিনেস বলেন, সত্যি বলতে এই অনুভূতি প্রকাশ করার মতো ভাষা আমার জানা নেই। অনুভূতিটা এতটাই গভীর! বাবা যখন প্রথম আমার জন্য এক জোড়া ফুটবল বুট কিনে দিয়েছিলেন, ঠিক তখন থেকেই দেশের হয়ে এমন একটি গোল করার স্বপ্ন দেখতাম।

শৈশবের স্মৃতি আর মায়ের কথা বলতে গিয়ে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি এই তারকা। কান্নাজড়ানো কণ্ঠে তিনি বলেন, এই বিশেষ মুহূর্তটি আমার মায়ের জন্য। আমি যেদিন রেসিং ক্লাবে যোগ দিতে ঘর ছেড়েছিলাম, সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি আমার ঘরের বিছানাটি গুছিয়ে রাখেন। আমার কাছে মায়ের এই ভালোবাসার মূল্য যেকোনো গোল বা বিশ্বকাপের ফাইনালের চেয়েও অনেক বেশি।  

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে জয় নিশ্চিত করা তৃতীয় গোলটি এবং গ্রুপ পর্বে জর্ডানের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করা মার্তিনেজ যোগ করেন, আমার দুই সন্তান আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছে। ওরা আসার পর আমি অনেক শান্ত হয়েছি। এখন আমি এসব মুহূর্ত উপভোগ করি। আজ আমি একজন পরিণত মানুষ, জীবনকে উপভোগ করতে শিখেছি।

ইন্টার মিলানের এই স্ট্রাইকারের জন্য এটি আর দশটি বিশ্বকাপের মতো নয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে শিরোপা জিতলেও একটি গোলও করতে পারেননি। ফলে শিরোপা জয়ের পরও কিছু আক্ষেপ রয়ে গিয়েছিল। আর তাই এবারের বিশ্বকাপকে তিনি দেখছিলেন নিজেকে প্রমাণ করার মঞ্চ হিসেবে।

নিউ জার্সিতে আগামী রোববার রাতে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow