শ্বশুরবাড়িতে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
কুমিল্লা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে নগরীর দেশওয়ালিপট্টি এলাকার কাসেম গার্ডেন বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ জান্নাতুন নাঈম ফারিহার (২৩) মরদেহ উদ্ধার করে। এরইমধ্যে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত জান্নাতুল নাঈম ফারিয়া কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কানগাঁও এলাকার মো. হানিফ মিয়ার মেয়ে। ফারিহা সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের (১২তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন।
জানা যায়, প্রায় আট মাস আগে দেশওয়ালিপট্টি এলাকার মেহেদী হাসানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে ফারিহার বিয়ে হয়।
শ্বশুর বাড়ির লোকজন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ফারিয়া তাদের ঘুমানোর কথা বলে দরজা বন্ধ করে। রাত ৮টায় দরজা নক করলে ফারিয়া দরজা খোলেনি। পরে থানা পুলিশকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।
ফারিয়ার বাবা মো. হান
কুমিল্লা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে নগরীর দেশওয়ালিপট্টি এলাকার কাসেম গার্ডেন বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ জান্নাতুন নাঈম ফারিহার (২৩) মরদেহ উদ্ধার করে। এরইমধ্যে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত জান্নাতুল নাঈম ফারিয়া কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কানগাঁও এলাকার মো. হানিফ মিয়ার মেয়ে। ফারিহা সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের (১২তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন।
জানা যায়, প্রায় আট মাস আগে দেশওয়ালিপট্টি এলাকার মেহেদী হাসানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে ফারিহার বিয়ে হয়।
শ্বশুর বাড়ির লোকজন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ফারিয়া তাদের ঘুমানোর কথা বলে দরজা বন্ধ করে। রাত ৮টায় দরজা নক করলে ফারিয়া দরজা খোলেনি। পরে থানা পুলিশকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।
ফারিয়ার বাবা মো. হানিফ জানান, মেহেদীর সঙ্গে বিয়ের পর টাকার জন্য ফারিয়াকে নানা সময় নির্যাতন করা হয়েছে। মেহেদী বেকার ছেলে। কিছুটা নেশাগ্রস্ত ছিল। ফারিয়া কোচিং ও, প্রাইভেট পড়িয়ে টাকা উপার্জন করে মেহেদির হাতে তুলে দিত। আমার মেয়েকে সে অনেক অত্যাচার করেছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে।
কোতোয়ালি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে। মামলা হয়েছে।