শ্যামল বণিক অঞ্জনের গাণিতিক সূত্র
গাণিতিক সূত্র
জীবনাঙ্কের খাতাটা শূন্যতেই ঘুরছে;
অতীতের ভুল নিয়মে আবদ্ধ বর্তমান
অনিয়মের ফাঁদে কুঁকড়ে আছে ভবিষ্যৎ,
অনিশ্চিত উপসংহারে নিষ্ফল ক্রন্দন।
যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগ কিংবা সরল;
গোঁজামিলের আশ্রয়ে হিসাবটা বড্ড গরল
ভুল সূত্রে জ্যামিতিক নকশায় ব্যর্থতার চিহ্ন,
অন্তঃসারশূন্যতার মাঝে পতিত অধ্যাবসায়।
সরল অঙ্ক সহজিকরণ করার ব্যর্থ চেষ্টা;
জটিল গাণিতিক সূত্রেই মিটাতে হবে তেষ্টা।
নারী
খরস্রোতা নদীর মতো দুকূল ভেঙেছো নারী!
সদ্য ভাসানো সোনার তরীটি ডুবে গেছে তোমার প্রবল পরাক্রমী ঘুর্ণিপাকে।
পলাশ ফোটা সবুজ ফাগুনেও রুপ নিয়েছো—
কালবৈশাখী, সাইক্লোন কিংবা ততধিক শক্তিশালী ঝড়ে।
ভেঙে চুড়মার করেছ বিস্তৃর্ণ জনপদ,
স্বপ্নের আবাস ভূমিটাকে পরিণত করেছো বিরানভূমিতে,
উপহার দিয়েছ গগনবিদারী আর্তনাদ আর হাহাকার!
অথচ, পরম মমতায় বহুকালের কঠোর সাধনায় নিমগ্ন থেকে—
একদিন সবকিছু তোমারই জন্য নিপুণভাবে সাজিয়েছিলাম রঙ তুলির আঁচড়ে।
নারী তুমি বুঝোনি চোখের ভাষা? নাকি বুঝতে চাওনি কখনো?
হৃদ স্পন্দনে ধ্বনীত হওয়া প্রেমের পদাবলি শুনতে পাওনি?
নাকি নিদারুণ হেয়ালিতে চরিতার্থ করেছ খেয়ালি মনের বাসনা?
পিশাচিনীর মতো চুষে নিয়ে
গাণিতিক সূত্র
জীবনাঙ্কের খাতাটা শূন্যতেই ঘুরছে;
অতীতের ভুল নিয়মে আবদ্ধ বর্তমান
অনিয়মের ফাঁদে কুঁকড়ে আছে ভবিষ্যৎ,
অনিশ্চিত উপসংহারে নিষ্ফল ক্রন্দন।
যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগ কিংবা সরল;
গোঁজামিলের আশ্রয়ে হিসাবটা বড্ড গরল
ভুল সূত্রে জ্যামিতিক নকশায় ব্যর্থতার চিহ্ন,
অন্তঃসারশূন্যতার মাঝে পতিত অধ্যাবসায়।
সরল অঙ্ক সহজিকরণ করার ব্যর্থ চেষ্টা;
জটিল গাণিতিক সূত্রেই মিটাতে হবে তেষ্টা।
নারী
খরস্রোতা নদীর মতো দুকূল ভেঙেছো নারী!
সদ্য ভাসানো সোনার তরীটি ডুবে গেছে তোমার প্রবল পরাক্রমী ঘুর্ণিপাকে।
পলাশ ফোটা সবুজ ফাগুনেও রুপ নিয়েছো—
কালবৈশাখী, সাইক্লোন কিংবা ততধিক শক্তিশালী ঝড়ে।
ভেঙে চুড়মার করেছ বিস্তৃর্ণ জনপদ,
স্বপ্নের আবাস ভূমিটাকে পরিণত করেছো বিরানভূমিতে,
উপহার দিয়েছ গগনবিদারী আর্তনাদ আর হাহাকার!
অথচ, পরম মমতায় বহুকালের কঠোর সাধনায় নিমগ্ন থেকে—
একদিন সবকিছু তোমারই জন্য নিপুণভাবে সাজিয়েছিলাম রঙ তুলির আঁচড়ে।
নারী তুমি বুঝোনি চোখের ভাষা? নাকি বুঝতে চাওনি কখনো?
হৃদ স্পন্দনে ধ্বনীত হওয়া প্রেমের পদাবলি শুনতে পাওনি?
নাকি নিদারুণ হেয়ালিতে চরিতার্থ করেছ খেয়ালি মনের বাসনা?
পিশাচিনীর মতো চুষে নিয়েছ আমার সমস্ত অস্তিত্বটাকে!
নারী তুমি মানবিক হও, মনের ভাষা বুঝে নাও
প্রশান্তির ডানা মেলে সকল যন্ত্রণার মুক্তি দাও।
অহনা
অবশেষে অহনারও একদিন ইচ্ছে হলো মেঘ দেখার—
জানালা খুলে দুহাত বাড়িয়ে দিতে আকাশের দিকে।
চিরকালের খেয়ালি অহনা জানি না কি খেয়ালে আবার
ফিরে তাকালো পেঁজা মেঘরাশির দিকে
কেনই বা স্বাদ জাগলো ছুঁয়ে দেখার!
সে দিনের সেই চপলা দুষ্টু মিষ্টি কিশোরী মেয়েটি আজ
ব্যক্তিত্বের আচ্ছাদনে মোড়ানো যেন ভিন্ন এক মানুষ!
চালচলন কথাবার্তা ভাবনাতেও তার বিচক্ষণতার ছায়া দৃশ্যমান।
বদলে গেছে রুচিবোধ বিচরণের ক্ষেত্র ব্যস্ততার ধরনটাও
অহনা এখন পরিণত এবং পরিপূর্ণ একজন মানুষ!
কিন্তু হঠাৎ কেন আবার খুলে দিলো সুদীর্ঘকালের রুদ্ধ জানালাটা!
ফিরে তাকালো অসীম আকাশের দিকে-
কেনই বা দেখার ইচ্ছে হলো মেঘরাশি!
আবারো কেন অনেক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো অহনা!
আজও হারায় প্রাণ!
ঠকঠকিয়ে কাঁপছে সবাই
পৌষের এই শীতে,
পড়ছে শীতের অতীত ছায়া
মনেরই আরশিতে।
ফেলে আসা দিনের কথা
পড়ছে মনে খুব,
ফিরে পেতে হারানো দিন
জাগছে মনে লোভ!
মায়ের হাতের পিঠা পুলির
নাকে আসে ঘ্রাণ,
পৌষালীর সেই খুশির ধারা
হারায় আজও প্রাণ!
ম দিয়ে মা হয়
ম দিয়ে মা হয় ম-তে মায়া-মমতা
তার মতো ভালোবাসে আছে কার ক্ষমতা?
মা ছিলো বলে এই পৃথিবীতে আসা যে
হাসি খুশি সুখ আর আলোতেও ভাসা যে!
মায়েরই হাত ধরে শেখা পথ চলাটা
অ-আ-ই শেখা শুরু কথা বলাটা।
মা যেন সব দিয়ে গড়া এক বিশ্ব!
মা ছাড়া লোকগুলো সব থেকেও নিঃস্ব।
কবির কথন : নিবাস, নকলা মধ্য বাজার
জেলা- শেরপুর
লেখালেখি শুরু- ১৯৯৫ সাল থেকে। একক কোনো বই এখনো প্রকাশ হয়নি। দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক, সাপ্তাহিক পত্রিকাও ম্যাগাজিনসহ দেশের বাইরেরও অনেক পত্রিকায় লেখা ছাপা হয় নিয়মিত।