শ্যালকের স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, দুলাভাই গ্রেফতার

রংপুরের কাউনিয়ায় শ্যালকের স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সজল মিয়া (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১০ মে) দুপুরে তাকে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সজল মিয়া কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর শহরের পাঠানটারী এলাকার মৃত মাহফুজার রহমানের ছেলে। এর আগে শনিবার দিনগত রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ভুক্তভোগী ওই নারীর অভিযোগ, তার স্বামী ঢাকায় একটি কারখানায় চাকরি করেন। তিনি ৩ সন্তান ও শাশুড়িকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করেন। ঘটনার দিন গত মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় তার শাশুড়ি পাঠানটারী এলাকায় মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। আর এই সুযোগে সন্ধ্যার কিছু আগে ননদের স্বামী সজল তার বাড়িতে আসেন। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় পেছন দিকে থেকে তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন সজল। তার চিৎকারে দশ বছরের বড় মেয়ে এগিয়ে আসলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান সজল। ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, বছর খানেক আগেও তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন সজল। সেইসময় ঘটনাটি স্বামীর পরিবারকে জানালে সজল আর এমন জঘন্য কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করে। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি মীমাংসা করে দেন

শ্যালকের স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, দুলাভাই গ্রেফতার

রংপুরের কাউনিয়ায় শ্যালকের স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সজল মিয়া (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (১০ মে) দুপুরে তাকে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সজল মিয়া কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর শহরের পাঠানটারী এলাকার মৃত মাহফুজার রহমানের ছেলে। এর আগে শনিবার দিনগত রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভুক্তভোগী ওই নারীর অভিযোগ, তার স্বামী ঢাকায় একটি কারখানায় চাকরি করেন। তিনি ৩ সন্তান ও শাশুড়িকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করেন। ঘটনার দিন গত মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় তার শাশুড়ি পাঠানটারী এলাকায় মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। আর এই সুযোগে সন্ধ্যার কিছু আগে ননদের স্বামী সজল তার বাড়িতে আসেন। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় পেছন দিকে থেকে তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন সজল। তার চিৎকারে দশ বছরের বড় মেয়ে এগিয়ে আসলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান সজল।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, বছর খানেক আগেও তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন সজল। সেইসময় ঘটনাটি স্বামীর পরিবারকে জানালে সজল আর এমন জঘন্য কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করে। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। কিন্তু আবারও তাকে এমন ঘটনার শিকার হতে হলো। ঘটনার পর থেকে স্বামীর বাড়িতে নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় তিনি সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ ঘটনার পর তিনি সজলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

রংপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে শনিবার দিনগত গভীর রাতে গ্রেফতারের পর রোববার তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জিতু কবীর/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow