শ্রীমতী অনিমা রানী রাহার পরলোকগমন

খুলনার ডুমুরিয়া নিবাসী, বিশিষ্ট চিকিৎসক প্রয়াত ডা. মধুসূদন রাহার সহধর্মিণী শ্রীমতী অনিমা রানী রাহা পরলোকগমন করেছেন।  রোববার (১৪ জুন) রাত ১টা ৩৮ মিনিটে ঢাকার উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।  তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এলাকায় প্রয়াত ডা. মধুসূদন রাহা যেমন সবার কাছে ‘বড়দা’ নামে সুপরিচিত ছিলেন, শ্রীমতী অনিমা রানী রাহাও সবার কাছে সমানভাবে ‘বড়বৌদি’ হিসেবে সমাদৃত ও পরিচিত ছিলেন।  তিনি ৯ ছেলে ও দুই মেয়ের জননী ছিলেন। সন্তানদের সুপ্রতিষ্ঠিত ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অনন্য স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সালে তিনি স্থানীয়ভাবে ‘খুলনা বিভাগের রত্নগর্ভা মা’ হিসেবে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হন। তিনি ৭ ছেলে ও পুত্রবধূ, ২ মেয়ে ও জামাতা, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

শ্রীমতী অনিমা রানী রাহার পরলোকগমন
খুলনার ডুমুরিয়া নিবাসী, বিশিষ্ট চিকিৎসক প্রয়াত ডা. মধুসূদন রাহার সহধর্মিণী শ্রীমতী অনিমা রানী রাহা পরলোকগমন করেছেন।  রোববার (১৪ জুন) রাত ১টা ৩৮ মিনিটে ঢাকার উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।  তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এলাকায় প্রয়াত ডা. মধুসূদন রাহা যেমন সবার কাছে ‘বড়দা’ নামে সুপরিচিত ছিলেন, শ্রীমতী অনিমা রানী রাহাও সবার কাছে সমানভাবে ‘বড়বৌদি’ হিসেবে সমাদৃত ও পরিচিত ছিলেন।  তিনি ৯ ছেলে ও দুই মেয়ের জননী ছিলেন। সন্তানদের সুপ্রতিষ্ঠিত ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অনন্য স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সালে তিনি স্থানীয়ভাবে ‘খুলনা বিভাগের রত্নগর্ভা মা’ হিসেবে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হন। তিনি ৭ ছেলে ও পুত্রবধূ, ২ মেয়ে ও জামাতা, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow