ষাট বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ষাট বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি কুবরা বাবুল (৫৫) আরা গেছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।  মৃত বাবুল নড়াইল জেলার সদর উপজেলা ভুয়া খালি গ্রামের লাল মিয়া বিশ্বাসের ছেলে।  যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ জানান, পৃথক দুটি অস্ত্র মামলায় ৩০ বছর করে দুটি মামলায় ৬০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন বাবুল।  তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আসেন বাবুল। তখন থেকেই কারা ভোগ করছিলেন। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে তার বুকের ভেতর যন্ত্রণা শুরু হয়। এ সময় তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার জুবাইদা আক্তার বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই বাবুল আক্তারের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ষাট বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ষাট বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি কুবরা বাবুল (৫৫) আরা গেছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।  মৃত বাবুল নড়াইল জেলার সদর উপজেলা ভুয়া খালি গ্রামের লাল মিয়া বিশ্বাসের ছেলে।  যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ জানান, পৃথক দুটি অস্ত্র মামলায় ৩০ বছর করে দুটি মামলায় ৬০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন বাবুল।  তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আসেন বাবুল। তখন থেকেই কারা ভোগ করছিলেন। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে তার বুকের ভেতর যন্ত্রণা শুরু হয়। এ সময় তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার জুবাইদা আক্তার বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই বাবুল আক্তারের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow