সংঘাতের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না ঢাবি: উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সব রাজনৈতিক সংগঠনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি সংঘাতের যেসব ঘটনা ঘটছে, তার কোনো পুনরাবৃত্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখতে চায় না। রাজনৈতিক বা আদর্শিক মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন সংঘাত কিংবা সহিংসতায় রূপ না নেয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংযম ও সচেতনতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শুক্রবার (৭ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন উপাচার্য। অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেবল দেশের অন্যতম প্রধান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; মুক্তচিন্তা, যুক্তিবাদ, জ্ঞানচর্চা, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশেও প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে ক্যাম্পাসে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ আরও শক্তিশালী করা প্রয়ো

সংঘাতের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না ঢাবি: উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সব রাজনৈতিক সংগঠনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি সংঘাতের যেসব ঘটনা ঘটছে, তার কোনো পুনরাবৃত্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখতে চায় না।

রাজনৈতিক বা আদর্শিক মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন সংঘাত কিংবা সহিংসতায় রূপ না নেয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংযম ও সচেতনতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন উপাচার্য।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেবল দেশের অন্যতম প্রধান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; মুক্তচিন্তা, যুক্তিবাদ, জ্ঞানচর্চা, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশেও প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে ক্যাম্পাসে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

মতপার্থক্যকে গণতান্ত্রিক পরিবেশের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ভিন্নমত কোনোভাবেই বিভেদ বা সহিংসতার কারণ হতে পারে না। যে কোনো বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে এবং যুক্তি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সমাধান করা উচিত। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা বজায় থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ ও শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখা প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। ক্যাম্পাসে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, শৃঙ্খলা ও প্রচলিত বিধি-বিধান মেনে চলার আহ্বান জানান উপাচার্য।

এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow