সংযোগ দিতে বাধা, ৩১ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ৪১ পরিবার
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যক্তিকে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সংযোগ নিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪১টি পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঈশ্বরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম অনিতা বর্ধনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের চর সৈয়দভাকুরী এলাকায় বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টা থেকে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত টানা প্রায় সাড়ে ৩১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়রা সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার পর পরিবারগুলোকে অন্ধকারে থাকতে হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় ৮ থেকে ১০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে। একই সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ৬ থেকে ৭ জন চালক গাড়ির ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় সড়কে নামতে পারেননি। এতে তাদের দৈনিক আয়ও বন্ধ হয়ে যায়। ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হক, আব্দুল কাদির, সাইকুল, কামাল, আকলিমা খাতুন ও ফাতেমা আক্তারসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, আব্দুল আলী নামে এক ব্যক্তির ঘরের সামনে থাকা বিদ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যক্তিকে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সংযোগ নিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪১টি পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ঈশ্বরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম অনিতা বর্ধনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের চর সৈয়দভাকুরী এলাকায় বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টা থেকে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত টানা প্রায় সাড়ে ৩১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার পর পরিবারগুলোকে অন্ধকারে থাকতে হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় ৮ থেকে ১০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে। একই সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ৬ থেকে ৭ জন চালক গাড়ির ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় সড়কে নামতে পারেননি। এতে তাদের দৈনিক আয়ও বন্ধ হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হক, আব্দুল কাদির, সাইকুল, কামাল, আকলিমা খাতুন ও ফাতেমা আক্তারসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, আব্দুল আলী নামে এক ব্যক্তির ঘরের সামনে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি থেকে নতুন সংযোগ নিতে চেয়েছিলেন আব্দুল হাদী নামে আরেক ব্যক্তি। এতে বাধা দেন আব্দুল আলী।
পরে বিষয়টি ডিজিএম অনিতা বর্ধনকে জানানো হলে বিদ্যুৎ অফিস থেকে লোক পাঠিয়ে আশপাশের ৪১টি পরিবারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।
তবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন ডিজিএম অনিতা বর্ধন। তিনি বলেন, ‘একটি পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি সমাধানের জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দ্রুতই বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।’
ডিজিএমের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপাতত এ বিষয়ে কিছু বলছি না। আগে তার সঙ্গে কথা বলে নিই।’
What's Your Reaction?