সংসদে এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্য শুনে মনে হয় দেশে কোনো সমস্যা নেই
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, সংসদে এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্য শুনে মনে হয় দেশে কোনো সমস্যা নেই। সংসদে বলা হয়, দেশে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায়, কিন্তু এটিকে লোডশেডিং বলা যায় না। এভাবে লোক দেখানো বক্তব্য না দিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করুন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঘোষিত ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচির চতুর্থ দিনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর মুক্তমঞ্চে আয়োজিত পদযাত্রা ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সারজিস আলম বলেন, বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে ক্ষমতায় যাওয়ার দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার চার থেকে সাড়ে চার মাস পেরিয়ে গেলেও তারা এক হাজার মানুষেরও কর্মসংস্থান করতে পারেনি। তিনি বলেন, এখন তরুণদের মধ্যে একটি কথা প্রচলিত হয়েছে—‘অনেক তো কার্ড দিলেন, এবার বেকার ভাতার কার্ড দেওয়া শুরু করেন।’ চাকরির সংকটে শিক্ষিত তরুণদের ক্ষোভ বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে বেকারদের নেতৃত্বে আরেকটি অভ্যুত্থানও হতে পারে। তিনি বলেন, দেশে অভাবী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, সংসদে এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্য শুনে মনে হয় দেশে কোনো সমস্যা নেই। সংসদে বলা হয়, দেশে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায়, কিন্তু এটিকে লোডশেডিং বলা যায় না। এভাবে লোক দেখানো বক্তব্য না দিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করুন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঘোষিত ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচির চতুর্থ দিনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর মুক্তমঞ্চে আয়োজিত পদযাত্রা ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে ক্ষমতায় যাওয়ার দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার চার থেকে সাড়ে চার মাস পেরিয়ে গেলেও তারা এক হাজার মানুষেরও কর্মসংস্থান করতে পারেনি।
তিনি বলেন, এখন তরুণদের মধ্যে একটি কথা প্রচলিত হয়েছে—‘অনেক তো কার্ড দিলেন, এবার বেকার ভাতার কার্ড দেওয়া শুরু করেন।’ চাকরির সংকটে শিক্ষিত তরুণদের ক্ষোভ বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে বেকারদের নেতৃত্বে আরেকটি অভ্যুত্থানও হতে পারে।
তিনি বলেন, দেশে অভাবী মানুষের অভাব আরও বাড়ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে শিক্ষিত বেকার তরুণদের ক্ষোভ থেকে আবারও অভ্যুত্থানের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
দেশের সীমান্ত নিয়ে সারজিস আলম বলেন, পশ্চিমবঙ্গের একজন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছে, বাংলাদেশে ১০ হাজার লোকের পুশ-ইন করা হয়েছে। বাংলাদেশে নাকি আরও পুশ-ইনের প্রক্রিয়া চলছে। আমাদের দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী কোথায় থাকে, যখন একটা দেশের মুখ্যমন্ত্রী আমাদের সার্বভৌমত্ব নিয়ে হুমকি দেয়।
তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমার ওই সীমান্তে একটি পুশ-ইন ও একটি হত্যাও দেখতে চাই না। যদি আবার সীমান্তে হত্যা হয়, সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন করা হয় বা দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ে, তখন আমরা দেখব না কে সরকারে আছে বা তাদের অবস্থান কী ছিল।
পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারও বক্তব্য দেন। তিনি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, আগে বলা হতো খাম্বা আছে, বিদ্যুৎ নেই। এখন বলা হচ্ছে বিদ্যুৎ আছে, খাম্বা নেই।
এসময় এনসিপি যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকার, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারসহ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় নেতারা সভা শেষে পাবনার উদ্দেশে রওনা হন।
এম এ মালেক/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?