সংসদে যে বিল পাসের কারণে ওয়াকআউট করল জামায়াত
স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল-২০২৬ পাসের পর বিলটিকে গণবিরোধী উল্লেখ করে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা (এমপি)। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সংসদ চলাকালে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ফ্লোর নিয়ে বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, বিরোধীদলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে, আমরা তার দায় নিতে চাই না। এজন্য এখন সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি।’ এরপর বিরোধীদলীয় জোটের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, ‘আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার ফার্স্ট রিডিং, সেকেন্ড রিডিং, থার্ড রিডিং- সব রিডিংয়ে উনারা সহযোগিতা করেছেন। কেউ কেউ হাত তুলে সমর্থনও দিয়েছে। সমস্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পরে ওয়াকআউটের কোনো মানে আছে কি না? এটা জানার জন্য।’ তিনি বিরোধীদলীয় এমপিদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘আশা করি মাগরিবের নামাজের পর আবার অংশগ্রহণ করবেন।’ এদিন যেসব বিল পাস হয়েছে তার মধ্যে অন্তত ছয়টি বিল নিয়ে আপত্তি তোলে বিরোধীদল। সময়
স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল-২০২৬ পাসের পর বিলটিকে গণবিরোধী উল্লেখ করে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা (এমপি)।
বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সংসদ চলাকালে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ফ্লোর নিয়ে বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, বিরোধীদলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে, আমরা তার দায় নিতে চাই না। এজন্য এখন সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি।’
এরপর বিরোধীদলীয় জোটের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ থেকে বের হয়ে যান।
এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, ‘আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার ফার্স্ট রিডিং, সেকেন্ড রিডিং, থার্ড রিডিং- সব রিডিংয়ে উনারা সহযোগিতা করেছেন। কেউ কেউ হাত তুলে সমর্থনও দিয়েছে। সমস্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পরে ওয়াকআউটের কোনো মানে আছে কি না? এটা জানার জন্য।’
তিনি বিরোধীদলীয় এমপিদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘আশা করি মাগরিবের নামাজের পর আবার অংশগ্রহণ করবেন।’
এদিন যেসব বিল পাস হয়েছে তার মধ্যে অন্তত ছয়টি বিল নিয়ে আপত্তি তোলে বিরোধীদল। সময় স্বল্পতা ও পর্যাপ্ত বিতর্কের সুযোগ না থাকা নিয়েও আপত্তি জানানো হয়।
এর আগে সংসদের বিশেষ কমিটি ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে ৯৮টি হুবহু, ১৫টি সংশোধন করে এবং ১৬টি পরে আরও যাচাই-বাছাই করে বিল আকারে আনার সুপারিশ করে।
বৃহস্পতিবারের অধিবেশনেও সময় বণ্টন নিয়ে আপত্তি তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তার অভিযোগ, বিরোধী সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ সীমিত, অথচ মন্ত্রীরা দীর্ঘ সময় ধরে জবাব দিচ্ছেন।
What's Your Reaction?