সংসদ-শহীদ মিনারে নেয়া হলো না তোফায়েল আহমেদের মরদেহ, সোহেল রানার আক্ষেপ

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সোহেল রানা। নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি দীর্ঘদিনের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগঘন মন্তব্য করেন। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে লেখেন, ‘৯ বারের নির্বাচিত এমপি, সংসদ ভববের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা হলো না। শেষবার দেখার জন্য তার মরদেহ শহীদ মিনারে আনা হলো না। কারো হস্তক্ষেপে নাকি রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হলো। কোথায় বাস করি আমরা?’ আজ বুধবার ৩ জুন ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এই কথা লেখেন। তার স্ট্যাটাসের নিচে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। সোহেল রানা গত সোমবার ১ জুন ফেসবুকে তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে আরও লেখেন, সুদীর্ঘ ছয় বছর তিনি ইকবাল হলে তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে পাশাপাশি রুমে ছিলেন। সেই সময়ের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার অসংখ্য স্মৃতি আজও তার মনে গেঁথে আছে বলে জানান তিনি।স্ট্যাটাসে তিনি তোফায়েল আহমেদকে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে স্মরণ করেন এবং বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে তার অবদানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, ‘সিরাজ ভাইয়ের প্রিয় তোফায়েল, বঙ্গবন্ধুর প্রিয় তোফায়েল, ইকব

সংসদ-শহীদ মিনারে নেয়া হলো না তোফায়েল আহমেদের মরদেহ, সোহেল রানার আক্ষেপ

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সোহেল রানা। নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি দীর্ঘদিনের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগঘন মন্তব্য করেন।

তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে লেখেন, ‘৯ বারের নির্বাচিত এমপি, সংসদ ভববের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা হলো না। শেষবার দেখার জন্য তার মরদেহ শহীদ মিনারে আনা হলো না। কারো হস্তক্ষেপে নাকি রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হলো। কোথায় বাস করি আমরা?’

আজ বুধবার ৩ জুন ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এই কথা লেখেন। তার স্ট্যাটাসের নিচে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

সোহেল রানা গত সোমবার ১ জুন ফেসবুকে তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে আরও লেখেন, সুদীর্ঘ ছয় বছর তিনি ইকবাল হলে তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে পাশাপাশি রুমে ছিলেন। সেই সময়ের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার অসংখ্য স্মৃতি আজও তার মনে গেঁথে আছে বলে জানান তিনি।



স্ট্যাটাসে তিনি তোফায়েল আহমেদকে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে স্মরণ করেন এবং বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে তার অবদানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, ‘সিরাজ ভাইয়ের প্রিয় তোফায়েল, বঙ্গবন্ধুর প্রিয় তোফায়েল, ইকবাল হলের আমার প্রিয় বন্ধু তোফায়েল শেষ পর্যন্ত আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেল।’

সোহেল রানা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে লেখেন, ‘আল্লাহ তোমাকে বেহেশত নসিব করুন।’

সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা, হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। প্রায় আট মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তার জীবনাবসান ঘটে।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে নিজ জন্মভূমি ভোলার সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোরালিয়া গ্রামে বাবা-মা ও প্রয়াত স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি দেশজুড়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি দেশজুড়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow