সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত ৪

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় চারজন গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) আনুমানিক রাত ১১টার সময় নগরীর বাকলিয়া থানাধীন ১৯ নম্বর ওয়ার্ড মিয়া খান নগর ময়দার মিল স্কুল মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এ ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করেছে। বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গুলিবিদ্ধ চারজন হলেন- মো. হাসান, জসিম, ইসমাইল মিয়া ও ফাহিম। এদের মধ্যে ফাহিম ১২ বছরের শিশু। আহত চারজনের পায়ে ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, মাদক ব্যবসার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির মোর্শেদ খান ও সোবাহন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। শওকতের নেতৃত্বাধীন পক্ষের সঙ্গে অপর পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হয়। এতে অনেকে আহত হয়েছেন।  পুলিশ বলছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী মোরশেদ খানের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে ও ধারালো অস্ত্র এলো

সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত ৪

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় চারজন গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) আনুমানিক রাত ১১টার সময় নগরীর বাকলিয়া থানাধীন ১৯ নম্বর ওয়ার্ড মিয়া খান নগর ময়দার মিল স্কুল মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এ ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করেছে।

বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গুলিবিদ্ধ চারজন হলেন- মো. হাসান, জসিম, ইসমাইল মিয়া ও ফাহিম। এদের মধ্যে ফাহিম ১২ বছরের শিশু। আহত চারজনের পায়ে ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, মাদক ব্যবসার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির মোর্শেদ খান ও সোবাহন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। শওকতের নেতৃত্বাধীন পক্ষের সঙ্গে অপর পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হয়। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। 

পুলিশ বলছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী মোরশেদ খানের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে ও ধারালো অস্ত্র এলোপাতাড়ি আঘাত করে। মোরশেদ খান নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে থাকেন। নগর পুলিশের করা ৩০০ দুষ্কৃতকারীর তালিকায় তার নাম রয়েছে।

একাধিক সূত্র জানায়, নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মোরশেদ খান ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় ফিরে আসেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন। মোরশেদ খান এলাকায় ফিরে এলে তার প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকত তাকে মারধর করে এলাকাছাড়া করেন। এই ঘটনার জেরে মোরশেদ খানের অনুসারীরা শনিবার প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও সাধারণ লোকজন আহত হন।

জানা গেছে, সন্ত্রাসীরা আকস্মিকভাবে তাদের প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও পথচারী, সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ও ময়দার মিলের কর্মচারী আহত হন।

বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান কালবেলাকে বলেন, পুরোনো দ্বন্দ্বের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মোরশেদ খানের পাঁচ অনুসারীকে আটক করা হয়েছে। অভিযান চলমান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow