সন্ধ্যার পর যেসব খাবার আরামের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়

দিন শেষে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বিছানায় গেলেও অনেকেরই ঘুম আসতে চায় না। বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া বা গভীর ঘুম না হওয়াও এখন খুব সাধারণ সমস্যা। অনেকেই ভাবেন এটি শুধু মানসিক চাপ বা মোবাইল ব্যবহারের কারণে হচ্ছে। তবে অবাক করার বিষয় হলো - রাতের খাবারের ধরনও ঘুমের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। সন্ধ্যার পর কিছু খাবার খেলে তা সরাসরি ঘুমের মান নষ্ট করতে পারে। তাই ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে এসব খাবার সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। ১. ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়চা, কফি, কোলা - এসব পানীয়তে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ককে সতর্ক রাখে এবং ঘুমের অনুভূতি কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে রাতে এগুলো খেলে সহজে ঘুম আসতে চায় না। ২. মসলাযুক্ত ও ঝাল খাবারঅতিরিক্ত ঝাল বা মসলাযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং বুক জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি বাড়ায়। ফলে ঘুম ব্যাহত হয়। ৩. ভাজাপোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবারফাস্ট ফুড, ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার হজম হতে বেশি সময় নেয়। এতে শরীর বিশ্রামের বদলে হজমে ব্যস্ত থাকে, ফলে গভীর ঘুম আসে না। ৪. চকলেটঅনেকেই রাতে মিষ্টি কিছু খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু চকলেটে অল্প পরিমাণ ক্যাফেইন ও চিনি থাকে, যা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ৫. কার্বোনেটেড

সন্ধ্যার পর যেসব খাবার আরামের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়

দিন শেষে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বিছানায় গেলেও অনেকেরই ঘুম আসতে চায় না। বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া বা গভীর ঘুম না হওয়াও এখন খুব সাধারণ সমস্যা। অনেকেই ভাবেন এটি শুধু মানসিক চাপ বা মোবাইল ব্যবহারের কারণে হচ্ছে। তবে অবাক করার বিষয় হলো - রাতের খাবারের ধরনও ঘুমের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।

সন্ধ্যার পর কিছু খাবার খেলে তা সরাসরি ঘুমের মান নষ্ট করতে পারে। তাই ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে এসব খাবার সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

১. ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়
চা, কফি, কোলা - এসব পানীয়তে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ককে সতর্ক রাখে এবং ঘুমের অনুভূতি কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে রাতে এগুলো খেলে সহজে ঘুম আসতে চায় না।

২. মসলাযুক্ত ও ঝাল খাবার
অতিরিক্ত ঝাল বা মসলাযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং বুক জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি বাড়ায়। ফলে ঘুম ব্যাহত হয়।

৩. ভাজাপোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবার
ফাস্ট ফুড, ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার হজম হতে বেশি সময় নেয়। এতে শরীর বিশ্রামের বদলে হজমে ব্যস্ত থাকে, ফলে গভীর ঘুম আসে না।

৪. চকলেট
অনেকেই রাতে মিষ্টি কিছু খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু চকলেটে অল্প পরিমাণ ক্যাফেইন ও চিনি থাকে, যা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

৫. কার্বোনেটেড বা সফট ড্রিংকস
এসব পানীয়তে চিনি ও ক্যাফেইন থাকার কারণে ঘুমের ছন্দ নষ্ট হয় এবং মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যেতে পারে।

৬. অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার
রাতে বেশি মিষ্টি খেলে রক্তে শর্করার ওঠানামা হয়, যা ঘুমকে অস্থির করে তুলতে পারে।

৭. বেশি পরিমাণ পানি বা তরল
ঘুমানোর ঠিক আগে বেশি পানি বা তরল খেলে বারবার প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভাঙতে পারে।

ভালো ঘুমের জন্য শুধু কী খাবেন না, সেটিই নয় - কখন খাবেন তাও গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা ভালো। হালকা ও সহজপাচ্য খাবার বেছে নিলে ঘুমও হবে আরামদায়ক।

ছোট কিছু অভ্যাস বদলালেই ঘুমের মান অনেকটাই উন্নত করা সম্ভব। তাই সন্ধ্যার পর খাবারের ব্যাপারে সচেতন থাকুন, আর নিশ্চিন্তে উপভোগ করুন গভীর ঘুম।

সূত্র: হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং, স্লিপ ফাউন্ডেশন, মায়ো ক্লিনিক

এএমপি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow