সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন খালেদা জিয়া : স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গেছেন। দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার অনন্য ও কালজয়ী দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন তিনি।’
শুক্রবার (২২ মে) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ‘ছবির গল্প’ কর্তৃক প্রকাশিত খালেদা জিয়ার স্মৃতির স্মরণে ‘দেশনেত্রী’ শীর্ষক বর্ষপঞ্জির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ছবির গল্পের উপদেষ্টা সম্পাদক আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. আহমেদ মোস্তফা নোমান এবং ‘ছবির গল্প’র সমন্বয়ক সাদমান সাকিব।
মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী এবং পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব।
বর্ষপঞ্জিটিতে ‘ছবির গল্প’র প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী খালেদ হোসেন পরাগের ক্যামেরায় ধারণ করা আলোকচিত্র এবং ছবির
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গেছেন। দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার অনন্য ও কালজয়ী দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন তিনি।’
শুক্রবার (২২ মে) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ‘ছবির গল্প’ কর্তৃক প্রকাশিত খালেদা জিয়ার স্মৃতির স্মরণে ‘দেশনেত্রী’ শীর্ষক বর্ষপঞ্জির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ছবির গল্পের উপদেষ্টা সম্পাদক আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. আহমেদ মোস্তফা নোমান এবং ‘ছবির গল্প’র সমন্বয়ক সাদমান সাকিব।
মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী এবং পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব।
বর্ষপঞ্জিটিতে ‘ছবির গল্প’র প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী খালেদ হোসেন পরাগের ক্যামেরায় ধারণ করা আলোকচিত্র এবং ছবির গল্পের টিমের লেখনীর মাধ্যমে দেশনেত্রীর বর্ণাঢ্য জীবনের বিশেষ ১২টি দিক ফুটে উঠেছে।
অনুষ্ঠানে ‘ছবির গল্প : সবার আগে দেশপ্রেম’ প্রতিপাদ্যে তারেক রহমানকে নিয়ে বিগত নব্য-বাকশালী সরকারের ব্যাপক মিথ্যা প্রচারের জবাবে সত্যকে তুলে ধরতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘বাংলাদেশের প্রাণ তারেক রহমান’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শন করেন ছবির গল্প।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া আমার রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিকাশে তিনি ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার মৃত্যুতে কোটি মানুষের অশ্রুবিসর্জন তাকে জনমানুষের নেত্রী হিসেবে প্রমাণিত করেছে।’
স্পিকার বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ, ১৯৭১-এ স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান না করলে বাংলাদেশের জন্ম হতো কি না সংশয় থেকে যায়। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এ দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে কাঙ্ক্ষিত বিজয় লাভ করে। খালেদা জিয়া জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।’
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রের স্থায়ী রূপ দেওয়ার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করেন বেগম খালেদা জিয়া। অনেকেই বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। কিন্তু জিয়া পরিবারের কোনো প্রত্যাবর্তন নেই।’
তিনি বলেন, ‘জিয়া পরিবার না থাকলে বাংলাদেশ থাকত কি না সে বিষয়ে আমি সন্দিহান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইজ ইক্যুইভ্যালেন্ট টু বাংলাদেশ।’
স্পিকার এসময় বর্ষপঞ্জির মোড়ক উন্মোচন করেন এবং ‘ছবির গল্প’র আলোকচিত্রী খালেদ হোসাইন পরাগসহ টিমের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নুর, আরিফা সুলতানা রুমা, দীপিকা বিনতে হোসাইনসহ সংসদের সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ-সদস্য, ছবির গল্প টিমের সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি এবং গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।