সবকিছু ভেঙে পড়ছিল, ভবনের ভেতর থেকে শোনা যায় অস্বাভাবিক শব্দ

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে শহরজুড়ে। কম্পনে বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। কারাকাসের ৩৮ বছর বয়সী প্রকৌশলী জেসুস আলেহান্দ্রো পিনা ভূমিকম্পের সময় একটি সাততলা ভবনের সর্বোচ্চ তলায় অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, কম্পনটি ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রায় এক মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। পিনার ভাষ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের সময় ভবনের ভেতরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কাঁচের গ্লাস ভেঙে যায়, দেয়ালে টাঙানো ছবি ও টেলিভিশন মেঝেতে পড়ে যায়। সবকিছু ভেঙে পড়ে যাচ্ছিল। এমনকি ভবনের স্তম্ভ ও বিম থেকেও অস্বাভাবিক শব্দ শোনা যাচ্ছিল। ভূমিকম্পের পরপরই তিনি ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। বাইরে তখন হাজারো মানুষ রাস্তাঘাট, খোলা মাঠ ও বিভিন্ন চত্বরে আশ্রয় নিয়েছিল। তিনি বলেন, মানুষজন আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন ছিল। অনেককে আহত অবস্থায় দেখা গেছে। পিনার দাবি, শহরের কিছু ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে দমকলকর্মী ও জরুরি সেবাকর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পরও অনেক বাসিন্দা নিজেদের ঘরে ফিরতে সাহস পাননি। সম্ভাব্য আফটারশক বা পরাঘা

সবকিছু ভেঙে পড়ছিল, ভবনের ভেতর থেকে শোনা যায় অস্বাভাবিক শব্দ

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে শহরজুড়ে। কম্পনে বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

কারাকাসের ৩৮ বছর বয়সী প্রকৌশলী জেসুস আলেহান্দ্রো পিনা ভূমিকম্পের সময় একটি সাততলা ভবনের সর্বোচ্চ তলায় অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, কম্পনটি ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রায় এক মিনিট স্থায়ী হয়েছিল।

পিনার ভাষ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের সময় ভবনের ভেতরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কাঁচের গ্লাস ভেঙে যায়, দেয়ালে টাঙানো ছবি ও টেলিভিশন মেঝেতে পড়ে যায়। সবকিছু ভেঙে পড়ে যাচ্ছিল। এমনকি ভবনের স্তম্ভ ও বিম থেকেও অস্বাভাবিক শব্দ শোনা যাচ্ছিল।

ভূমিকম্পের পরপরই তিনি ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। বাইরে তখন হাজারো মানুষ রাস্তাঘাট, খোলা মাঠ ও বিভিন্ন চত্বরে আশ্রয় নিয়েছিল।

তিনি বলেন, মানুষজন আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন ছিল। অনেককে আহত অবস্থায় দেখা গেছে।

পিনার দাবি, শহরের কিছু ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে দমকলকর্মী ও জরুরি সেবাকর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পরও অনেক বাসিন্দা নিজেদের ঘরে ফিরতে সাহস পাননি। সম্ভাব্য আফটারশক বা পরাঘাতের আশঙ্কায় তারা বাইরে অবস্থান করেন।

পিনা বলেন, মধ্যরাত পেরিয়ে গেলেও মানুষ জেগে ছিল। তারা বাড়ির বাইরে অবস্থান করছিল, খবর দেখছিল এবং পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কায় সতর্ক ছিল।

কর্তৃপক্ষ আফটারশকের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow