সবজি বিক্রেতার মাথায় এআই ডিভাইস, মাসে লাখ টাকার বেশি আয়
ভারতের বেঙ্গালুরুর ফুটপাতে সবজি বিক্রেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন। কারণ, তাকে সবজি বিক্রির সময় মাথায় বিশেষ ধরনের এআই ডেটা সংগ্রহের ডিভাইস পরে কাজ করতে দেখা গেছে। ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্রেতা মাথায় ক্যামেরা ও ডিভাইসযুক্ত হেডগিয়ার পরে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলছেন। ভিডিওটি শেয়ার করা ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, ওই ব্যক্তি এআই প্রশিক্ষণের জন্য বাস্তব জীবনের তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন এবং ঘণ্টায় প্রায় ৩৫০ রুপি আয় করছেন। ভিডিওর বর্ণনায় বলা হয়, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নের জন্য বাস্তব পরিবেশের ভিডিও, অডিও ও চলাচলসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এ ধরনের হেড-মাউন্টেড ডিভাইস সেই তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হয়। ভিডিও পোস্টকারী লেখেন, “স্কুটিতে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ ব্রেক করতে হলো। দেখি এক সবজি বিক্রেতা মাথায় আইফোন লাগানো হেডব্যান্ড পরে আছেন। পরে জানতে পারলাম, তিনি এআই ট্রেনিংয়ের জন্য ডেটা সংগ্রহ করছেন।” আরেক পোস্টে দাবি করা হয়, প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা কাজ করলে মাসে এক লাখ রুপির বেশি আয় সম্ভব। তবে সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এট
ভারতের বেঙ্গালুরুর ফুটপাতে সবজি বিক্রেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন। কারণ, তাকে সবজি বিক্রির সময় মাথায় বিশেষ ধরনের এআই ডেটা সংগ্রহের ডিভাইস পরে কাজ করতে দেখা গেছে।
ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্রেতা মাথায় ক্যামেরা ও ডিভাইসযুক্ত হেডগিয়ার পরে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলছেন। ভিডিওটি শেয়ার করা ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, ওই ব্যক্তি এআই প্রশিক্ষণের জন্য বাস্তব জীবনের তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন এবং ঘণ্টায় প্রায় ৩৫০ রুপি আয় করছেন।
ভিডিওর বর্ণনায় বলা হয়, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নের জন্য বাস্তব পরিবেশের ভিডিও, অডিও ও চলাচলসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এ ধরনের হেড-মাউন্টেড ডিভাইস সেই তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হয়।
ভিডিও পোস্টকারী লেখেন, “স্কুটিতে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ ব্রেক করতে হলো। দেখি এক সবজি বিক্রেতা মাথায় আইফোন লাগানো হেডব্যান্ড পরে আছেন। পরে জানতে পারলাম, তিনি এআই ট্রেনিংয়ের জন্য ডেটা সংগ্রহ করছেন।”
আরেক পোস্টে দাবি করা হয়, প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা কাজ করলে মাসে এক লাখ রুপির বেশি আয় সম্ভব।
তবে সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে নতুন ধরনের আয়মুখী কাজ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, “ঘণ্টায় ৩৫০ রুপি পেলেও পুরো প্রকল্পে হয়তো ১০-২০ ঘণ্টার কাজই থাকবে, মাসে ৩০০ ঘণ্টা নয়।”
আবার কেউ কেউ দাবি করেছেন, তাদের এলাকাতেও গৃহিণীদের একই ধরনের ডিভাইস দিয়ে কিছুদিন তথ্য সংগ্রহের কাজ করানো হয়েছিল।
তবে এনডিটিভির প্রতিবেদনে ঘটনাটির সত্যতা যাচাইয়ে তৃতীয় কোনো সূত্র ব্যবহার করা হয়নি।
What's Your Reaction?