‘সব চাপ ইংল্যান্ডের ওপরই দিন’, কোয়ার্টার ফাইনালের আগে হালান্ডের বার্তা
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রতিপক্ষকেই স্পষ্ট ফেবারিট হিসেবে দেখছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। নরওয়ের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স সত্ত্বেও তিনি প্রত্যাশা নিয়ন্ত্রণে রাখছেন এবং মনে করছেন, সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে চাপ পুরোপুরি ইংল্যান্ডের ওপরই থাকা উচিত। ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পর হালান্ড চেষ্টা করেছেন ম্যাচের চাপ ইংল্যান্ডের দিকে ঠেলে দিতে। তার মতে, নরওয়ে এবারের বিশ্বকাপে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো খেলেছে, কিন্তু তবুও টমাস টুখেলের দলই এই ম্যাচে স্পষ্ট ফেবারিট। তাই জয়ের প্রত্যাশার ভারও ইংল্যান্ডের কাঁধেই থাকা উচিত। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নরওয়ের সম্ভাবনা এবং ম্যাচটি ঘিরে প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেন আর্লিং হালান্ড। নিজের দলের দারুণ অগ্রযাত্রার প্রশংসা করলেও তিনি বারবারই মনে করিয়ে দেন, এই লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় দাবিদার ইংল্যান্ডই। এনআরকে-কে হালান্ড বলেন, ‘আমাদের জয়ের সম্ভাবনা খুবই কম। আমার মনে হয়, আপনারা সবাই সব চাপ ইংল্যান্ডের ওপরই দিন।‘ এই ম্যাচটি হালান্ডের জন্য ব্যক্তিগতভাবেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ ই
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রতিপক্ষকেই স্পষ্ট ফেবারিট হিসেবে দেখছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। নরওয়ের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স সত্ত্বেও তিনি প্রত্যাশা নিয়ন্ত্রণে রাখছেন এবং মনে করছেন, সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে চাপ পুরোপুরি ইংল্যান্ডের ওপরই থাকা উচিত।
ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পর হালান্ড চেষ্টা করেছেন ম্যাচের চাপ ইংল্যান্ডের দিকে ঠেলে দিতে। তার মতে, নরওয়ে এবারের বিশ্বকাপে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো খেলেছে, কিন্তু তবুও টমাস টুখেলের দলই এই ম্যাচে স্পষ্ট ফেবারিট। তাই জয়ের প্রত্যাশার ভারও ইংল্যান্ডের কাঁধেই থাকা উচিত।
কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নরওয়ের সম্ভাবনা এবং ম্যাচটি ঘিরে প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেন আর্লিং হালান্ড। নিজের দলের দারুণ অগ্রযাত্রার প্রশংসা করলেও তিনি বারবারই মনে করিয়ে দেন, এই লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় দাবিদার ইংল্যান্ডই।
এনআরকে-কে হালান্ড বলেন, ‘আমাদের জয়ের সম্ভাবনা খুবই কম। আমার মনে হয়, আপনারা সবাই সব চাপ ইংল্যান্ডের ওপরই দিন।‘
এই ম্যাচটি হালান্ডের জন্য ব্যক্তিগতভাবেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ ইংল্যান্ডের হয়ে খেলবেন তার ম্যানচেস্টার সিটির সতীর্থ জন স্টোনস ও মার্ক গেহি। ক্লাব সতীর্থদের বিপক্ষে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে খেলতে যাওয়ার অনুভূতির কথাও জানিয়েছেন তিনি।
নেটাভিসেনের বরাত দিয়ে হালান্ড বলেন, ‘বিষয়টা একটু অদ্ভুত। জীবনে অন্য সবার চেয়ে তাদের সঙ্গেই বেশি সময় কাটিয়েছি। মার্ক গেহি আর জন স্টোনসের সঙ্গে অনেক বছর ধরে মজা করেছি, একসঙ্গে সময় কাটিয়েছি। তাই বিষয়টা একটু অদ্ভুত, আবার বিশেষও।‘
কঠিন সূচির মধ্যেও পুরো টুর্নামেন্টে নিজের সেরা ফর্ম ধরে রাখার পেছনে ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ের কোচ স্তালে সোলবাক্কেনের অবদানের কথা তুলে ধরেন হালান্ড। তিনি জানান, গত কয়েক মৌসুমে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে এবং জাতীয় দলে খেলার অভিজ্ঞতায় নিজের শরীর সম্পর্কে তার বোঝাপড়া অনেক বেড়েছে।
হালান্ড বলেন, ‘এটা আমি অনেক দিন ধরেই জানি। এ জন্য আমি স্তালে এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে কৃতিত্ব দিই। সবকিছু ভালোভাবেই কাজ করছে। যেমনটা বললাম, বিষয়টি শুধু অনেক ম্যাচ খেলার নয়। নিজেকে একটু ভিন্নভাবে প্রস্তুত করতে হয়। নিজের শরীরের কী প্রয়োজন, সেটা জানতে হয় এবং আমি সেটা জানি। আমি আমার শরীরকে ভালোভাবে চিনি। খুব বেশি চোট পাইনি, আর সেটাই ইতিবাচক লক্ষণ।‘
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে নরওয়ে। হালান্ড চাইবেন নিজের দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আরও একটি অঘটনের জন্ম দিতে। অন্যদিকে ফেবারিটের তকমা নিয়ে মাঠে নামা ইংল্যান্ডকে সামলাতে হবে প্রত্যাশার বাড়তি চাপ।
আরএএইচইউএল/এসকেডি/জেএইচ
What's Your Reaction?