সরকারি মূল্যে ডিজেল পেয়ে সমুদ্রযাত্রায় উপকূলের জেলেরা
সারাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়লেও পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে দেখা মিলেছে স্বস্তির চিত্র। সরকারি উদ্যোগে ডিজেল সরবরাহ পাওয়ায় আবারও গভীর সমুদ্রে যাত্রা শুরু করেছে উপকূলের জেলেরা। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য বন্দর হিসেবে পরিচিত এই বন্দরের অধিকাংশ মানুষ জেলে পেশার ওপর নির্ভরশীল। তবে গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি সংকটের কারণে সমুদ্রগামী ট্রলার চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো জেলে ও সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষ। জেলেদের এই সংকট বিবেচনায় নিয়ে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে জেলেদের মাঝে সরকারি মূল্যে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক এ কার্যক্রম তদারকি করেন। সরকারি এই সহায়তা পাওয়ার পর রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে বন্দর থেকে শত শত ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করতে দেখা গেছে। হঠাৎ করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে পুরো মৎস্য বন্দরে। জেলে মো. মিজান মাঝি বলেন, কয়েকদিন ধরে তেলের অভাবে ট্রলার নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি দামে তে
সারাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়লেও পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে দেখা মিলেছে স্বস্তির চিত্র। সরকারি উদ্যোগে ডিজেল সরবরাহ পাওয়ায় আবারও গভীর সমুদ্রে যাত্রা শুরু করেছে উপকূলের জেলেরা।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য বন্দর হিসেবে পরিচিত এই বন্দরের অধিকাংশ মানুষ জেলে পেশার ওপর নির্ভরশীল। তবে গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি সংকটের কারণে সমুদ্রগামী ট্রলার চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো জেলে ও সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষ।
জেলেদের এই সংকট বিবেচনায় নিয়ে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে জেলেদের মাঝে সরকারি মূল্যে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক এ কার্যক্রম তদারকি করেন।
সরকারি এই সহায়তা পাওয়ার পর রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে বন্দর থেকে শত শত ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করতে দেখা গেছে। হঠাৎ করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে পুরো মৎস্য বন্দরে।
জেলে মো. মিজান মাঝি বলেন, কয়েকদিন ধরে তেলের অভাবে ট্রলার নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি দামে তেল পেয়ে আমরা আবার সমুদ্রে যেতে পারছি, এতে অনেক স্বস্তি লাগছে।
আরেক জেলে রবিউল মাঝি বলেন, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে কিছুদিন মাছ ধরতে পারলে পরিবার নিয়ে একটু স্বস্তিতে থাকতে পারব।
ট্রলার মাঝি আলমগীর হোসেন বলেন, বাজারে তেলের দাম বেশি হওয়ায় সমুদ্রে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। সরকারি মূল্যে তেল পাওয়ায় এখন অন্তত কয়েকটা ট্রিপ দিতে পারব। এটা আমাদের জন্য বড় সহায়তা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে জেলেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা সীমিত পরিসরে সরকারি মূল্যে ডিজেল সরবরাহ করেছি। সামনে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এর আগে তারা যেন কিছুটা স্বস্তিতে মাছ ধরতে পারে—সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী জেলেদের সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ শিকার নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে সরকারি সহায়তায় সমুদ্রে যেতে পেরে খুশি উপকূলের জেলেরা।
What's Your Reaction?