সহজ ম্যাচ জটিল করে শেষ বলে জয় চট্টগ্রামের

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে সহজভাবে জেতা ম্যাচকে অপ্রয়োজনীয় নাটকে ঠেলে দিয়েও শেষ হাসি হাসল চট্টগ্রাম রয়্যালস। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে শেষ ওভারে দরকার ছিল ১০ রান, হাতে মাত্র দুই উইকেট। শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতেই দুই উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় নিশ্চিত করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল চট্টগ্রাম। ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রামের শুরুটা মোটামুটি হলেও দ্রুতই ছন্দ হারায় ইনিংস। ওপেনিং জুটিতে ২৪ রান ওঠার পর ১৫ বলে ১৭ রান করা অ্যাডাম রসিংটনকে ফিরিয়ে দেন এস এম মেহরব। এরপর দলীয় ২৮ রানের মধ্যেই আরও তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চট্টগ্রাম। মাহমুদুল হাসান জয় (৩ বলে ৪) কট অ্যান্ড বোল্ড হন মেহরবের বলে। পরের ওভারেই বিনুরা ফার্নান্দোর বলে এলবিডব্লিউ হন নাইম শেখ (৭ বলে ৭) এবং একই ওভারে সাদমান ইসলামও ইনসাইড এজে বোল্ড হয়ে ফেরেন। মাঝের ওভারে পরিস্থিতি সামাল দেন হাসান নওয়াজ ও শেখ মেহেদী। দু’জনে গড়ে তোলেন ৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ২৫ বলে ২৮ রান করা মেহেদীকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন সন্দীপ লামিচানে। এরপর হাসান নওয়াজের সঙ্গে ৩৫ রানের আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েন আসিফ আলী। তবে বিনুরা ফার্নান্দো

সহজ ম্যাচ জটিল করে শেষ বলে জয় চট্টগ্রামের

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে সহজভাবে জেতা ম্যাচকে অপ্রয়োজনীয় নাটকে ঠেলে দিয়েও শেষ হাসি হাসল চট্টগ্রাম রয়্যালস। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে শেষ ওভারে দরকার ছিল ১০ রান, হাতে মাত্র দুই উইকেট। শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতেই দুই উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় নিশ্চিত করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল চট্টগ্রাম।

১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রামের শুরুটা মোটামুটি হলেও দ্রুতই ছন্দ হারায় ইনিংস। ওপেনিং জুটিতে ২৪ রান ওঠার পর ১৫ বলে ১৭ রান করা অ্যাডাম রসিংটনকে ফিরিয়ে দেন এস এম মেহরব। এরপর দলীয় ২৮ রানের মধ্যেই আরও তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চট্টগ্রাম। মাহমুদুল হাসান জয় (৩ বলে ৪) কট অ্যান্ড বোল্ড হন মেহরবের বলে। পরের ওভারেই বিনুরা ফার্নান্দোর বলে এলবিডব্লিউ হন নাইম শেখ (৭ বলে ৭) এবং একই ওভারে সাদমান ইসলামও ইনসাইড এজে বোল্ড হয়ে ফেরেন।

মাঝের ওভারে পরিস্থিতি সামাল দেন হাসান নওয়াজ ও শেখ মেহেদী। দু’জনে গড়ে তোলেন ৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ২৫ বলে ২৮ রান করা মেহেদীকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন সন্দীপ লামিচানে। এরপর হাসান নওয়াজের সঙ্গে ৩৫ রানের আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েন আসিফ আলী। তবে বিনুরা ফার্নান্দো ফের আঘাত হেনে ২৫ বলে ২৭ রান করা আসিফকে ফেরান।

শেষদিকে ম্যাচ ফের জটিল হয়ে ওঠে। ১৩ বলে ১৩ রান দরকার থাকতেই আমের জামাল (৮) ও আবু হায়দার রনি (১) আউট হলে ম্যাচ গড়ায় শেষ বলের সমীকরণে। তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় খেলে ৩৬ বলে ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন হাসান নওয়াজ।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তোলে ১২৮ রান। শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ২১ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। আগের ম্যাচের হাফসেঞ্চুরিয়ান মুহাম্মদ ওয়াসিম ১৪ বলে ১৯ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে বোল্ড হন। নাজমুল হোসেন শান্ত (৭ বলে ৭) ও তানজিদ হাসান (১২ বলে ৫) দ্রুত বিদায় নেন।

মাঝের ওভারে রাজশাহীর ব্যাটিংয়ে তেমন কোনো বড় জুটি গড়ে ওঠেনি। মুশফিকুর রহিম ১২ বলে ১৫, রায়ান বার্ল ১০ বলে ১১ এবং এস এম মেহরব ১৯ বলে ১৯ রান করে আউট হন। শেষদিকে তানজিম হাসান সাকিব ১৪ বলে অপরাজিত ১৪ রান করলেও স্কোর বড় করতে পারেনি দলটি।

চট্টগ্রামের বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন আমের জামাল, যিনি ২২ রান খরচায় তিনটি উইকেট নেন। এ ছাড়া শরিফুল ইসলাম, শেখ মেহেদী ও হাসান নওয়াজ একটি করে উইকেট শিকার করেন।

এই জয়ের ফলে সাত ম্যাচে পাঁচ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। অন্যদিকে ছয় ম্যাচে চার জয়ে তালিকার চার নম্বরে রয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow