সাংবাদিক আনিস আলমগীর কারামুক্ত

দুই মামলায় জামিনের পর কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। কারা সদর দপ্তরের সহকারি কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, তার জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে তার স্ত্রীসহ স্বজনেরা কারাগারে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, ১১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) নেওয়া হয়। পরদিন তাকে উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পাঁচদিন রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৫ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দেন উচ্চ আদালত। গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দু

সাংবাদিক আনিস আলমগীর কারামুক্ত

দুই মামলায় জামিনের পর কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

কারা সদর দপ্তরের সহকারি কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, তার জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে তার স্ত্রীসহ স্বজনেরা কারাগারে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, ১১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) নেওয়া হয়। পরদিন তাকে উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পাঁচদিন রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৫ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দেন উচ্চ আদালত।

গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করে। মামলায় আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২৫ জানুয়ারি এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে দুদক। তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। সেই মামলায়ও জামিন পান তিনি।

টিটি/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow