সাঙ্গু-মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা সদর, লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ। অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আওতায় পড়ে।
বান্দরবান সরকারি শহর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বেড়ে আমাদের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
একই আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা জরিনা বেগম বলেন, বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার বন্যার পানিতে ঘরের অনেক মালপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকেই বিভিন্ন এলাকার মানুষ সেখানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায
ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা সদর, লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ। অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আওতায় পড়ে।
বান্দরবান সরকারি শহর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বেড়ে আমাদের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
একই আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা জরিনা বেগম বলেন, বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার বন্যার পানিতে ঘরের অনেক মালপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকেই বিভিন্ন এলাকার মানুষ সেখানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সাঙ্গু নদীর পানি ১৪ দশমিক ৮৮৯ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল।
তিনি আরও বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলা সদরের আর্মিপাড়া, ইসলামপুর, শেরে বাংলা নগরসহ নদীতীরবর্তী ও আশপাশের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে ঘরবাড়ি তলিয়ে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। অনেক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে চলে গেছেন।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে। উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।