সাজেক-রাঙ্গামাটির হোটেল কটেজে ৫০ শতাংশ বুকিং
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতদিনের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকবে রূপের রাণী রাঙ্গামাটি ও মেঘের উপত্যকা সাজেক। পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটি ও পর্যটন কেন্দ্র সাজেকের হোটেল-মোটেল ও কটেজ ২৫ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ৫০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদ ও পাহাড় ঘেরা রাঙ্গামাটি শহরে হোটেল মোটেল আছে ৫৫টি, দ্বীপ কেন্দ্রিক ও অন্যান্য মিলিয়ে কটেজ আছে মোট ৩৫টি। এছাড়া আছে কাপ্তাই হ্রদে রাত্রি যাপনের জন্য হাউজ বোট। সব মিলিয়ে যার পর্যটকদের ধারণ ক্ষমতা পাঁচ হাজারের অধিক। অপর দিকে মেঘের উপত্যকা সাজেকে মোট রিসোর্ট কটেজের সংখ্যা ১২০টি। সাজেক উপত্যকার মেঘসজ্জা রিসোর্টের মালিক শাহিন হোসেন বলেন, আমরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলাম। বর্তমানে রিসোর্টের কাজ শেষ করেছি। তবে প্রচার প্রচারণায় যেতে পারিনি। বুকিং না থাকলেও পর্যটকদের বরণে এখন আমরা প্রস্তুত। সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন বলেন, সাজেকের মোট ১২০ টি রিসোর্ট-কটেজের প্রায় ৫০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। তবে ঈদের ছুটি আগে শুরু হওয়ায় পর্যটকরা ঈদের পর তেমন সময় পাচ্ছেন না। তবুও যারা সাজেক বেড়াতে আসবেন তাদের সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছি। রাজ বনবিহার এলাক
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতদিনের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকবে রূপের রাণী রাঙ্গামাটি ও মেঘের উপত্যকা সাজেক। পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটি ও পর্যটন কেন্দ্র সাজেকের হোটেল-মোটেল ও কটেজ ২৫ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ৫০ শতাংশ বুকিং হয়েছে।
কাপ্তাই হ্রদ ও পাহাড় ঘেরা রাঙ্গামাটি শহরে হোটেল মোটেল আছে ৫৫টি, দ্বীপ কেন্দ্রিক ও অন্যান্য মিলিয়ে কটেজ আছে মোট ৩৫টি। এছাড়া আছে কাপ্তাই হ্রদে রাত্রি যাপনের জন্য হাউজ বোট। সব মিলিয়ে যার পর্যটকদের ধারণ ক্ষমতা পাঁচ হাজারের অধিক। অপর দিকে মেঘের উপত্যকা সাজেকে মোট রিসোর্ট কটেজের সংখ্যা ১২০টি।
সাজেক উপত্যকার মেঘসজ্জা রিসোর্টের মালিক শাহিন হোসেন বলেন, আমরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলাম। বর্তমানে রিসোর্টের কাজ শেষ করেছি। তবে প্রচার প্রচারণায় যেতে পারিনি। বুকিং না থাকলেও পর্যটকদের বরণে এখন আমরা প্রস্তুত।
সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন বলেন, সাজেকের মোট ১২০ টি রিসোর্ট-কটেজের প্রায় ৫০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। তবে ঈদের ছুটি আগে শুরু হওয়ায় পর্যটকরা ঈদের পর তেমন সময় পাচ্ছেন না। তবুও যারা সাজেক বেড়াতে আসবেন তাদের সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছি।
রাজ বনবিহার এলাকা সংলগ্ন দ্বীপ কেন্দ্রিক রিসোর্টের মধ্যে সব চাইতে বড় রিসোর্ট রাঙ্গাদ্বীপ। থ্রি স্টার মানের হোটেল, কটেজ, রেস্টুরেন্ট, সুইমিংপুলসহ নানা সুবিধা নিয়ে গড়ে ওঠা এ রিসোর্টে আছে ১৮টি ভিন্ন ভিন্ন কটেজ। যার সবগুলো থেকেই কাপ্তাই হ্রদ দেখা যায়। এখানে শতাধিক পর্যটকের থাকার সুব্যবস্থা রয়েছে।এ রিসোর্টের ৬০ শতাংশ বুকিং আছে।
স্টেডিয়াম এলাকার হোটেল জুম প্যালেসে কক্ষ আছে ১৮ টি। সেখানে ৪৫ জন থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। আগামী ২৯ ও ৩০ মে দুদিন ৭০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে বলে জানান হোটেলটির ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, বুকিং খুব ভালো বলা যাবে না। ঈদের পর শুধুমাত্র দুই দিনের জন্য বুকিং হয়েছে বাকি দিনগুলোতে তেমন বুকিং নেই। আমাদের প্রস্তুতি আছে। কোনো পর্যটক বুকিং ছাড়া এলেও থাকার সমস্যা হবে না। পর্যটকদের সেবা দিতে অপেক্ষা করছি।
হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, মোটেল ও কটেজ মিলিয়ে মোট ৮৭ টি রুম রয়েছে। যেখানে মোট ১৭০ জনের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। ইতোমধ্যে ৫০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে। আশা করছি সামনের দিনে বাকিটা বুকিং হবে। পর্যটকদের বরণের আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।
রাঙ্গামাটি আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাগো নিউজকে বলেন, অন্য সময়ের তুলনায় বর্তমানে রাঙ্গামাটির রাজনৈতিক অস্থিরতা, আঞ্চলিক সমস্যা নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ ভালো। পর্যটকরা এ সময়ে আসলে নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারবে। ইতোমধ্যে ৫৫ হোটেল মোটেলের ৫০-৬০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। আশা করছি ঈদের আগে বুকিং আরও বাড়বে।
এদিকে, ট্যুরিস্ট পুলিশের রাঙ্গামাটি রিজিয়নের পুলিশ সুপার (এসপি) খায়রুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি তৈরি করা হয়েছে। নৌপথে স্পিডবোটে, সড়ক পথে মোটরসাইকেলে এবং একটি ইমার্জেন্সি টিম টহল কাজে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও রাঙ্গামাটি ও সাজেকের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সতর্কতামূলক ব্যানার ফেস্টুন লাগানো হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদে নৌভ্রমণে যাতে ট্যুরিস্ট বোটগুলো পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও ফাস্টএইড বক্স সঙ্গে রাখে সেটা নিশ্চিতে কাজ করছি। আশা করি ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের রাঙ্গামাটি ও সাজেক ভ্রমণ নিরাপদ এবং আনন্দদায়ক হবে।
আবু দারদা খান আরমান/এএইচ/এমএস
What's Your Reaction?