সাতক্ষীরার ৪টি আসনেই জয়ের পথে জামায়াত
দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক খরা কাটিয়ে সাতক্ষীরায় রাজকীয় প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৪টি সংসদীয় আসনেই জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানা গেছে। এগিয়ে থাকা জামায়াত প্রার্থীরা হলেন— সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) : মো. ইজ্জত উল্লাহ। সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) : মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) : (সংশ্লিষ্ট জামায়াত প্রার্থী)। সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জ আংশিক) : জি এম নজরুল ইসলাম। উৎসবমুখর ভোট ও কড়া নিরাপত্তা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জেলার ৬০৯টি কেন্দ্রে ভোটারদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৫ জন ভোটারের এই জেলায় দীর্ঘ সময় পর অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে মাঠে ছিল সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়। এদিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ চলে ব
দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক খরা কাটিয়ে সাতক্ষীরায় রাজকীয় প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৪টি সংসদীয় আসনেই জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানা গেছে।
এগিয়ে থাকা জামায়াত প্রার্থীরা হলেন— সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) : মো. ইজ্জত উল্লাহ। সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) : মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) : (সংশ্লিষ্ট জামায়াত প্রার্থী)। সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জ আংশিক) : জি এম নজরুল ইসলাম।
উৎসবমুখর ভোট ও কড়া নিরাপত্তা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জেলার ৬০৯টি কেন্দ্রে ভোটারদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৫ জন ভোটারের এই জেলায় দীর্ঘ সময় পর অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে মাঠে ছিল সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়।
এদিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। একই দিনে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
What's Your Reaction?