সাতক্ষীরায় ডুবল সড়ক-হাসপাতাল চত্বর -কলেজ মাঠ

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির ফলে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষেরা। সবশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও পানি নিষ্কাশনের পথ বাধাগ্রস্ত থাকায় শহরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তরের আঙিনা এবং অনেক বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠ, সদর হাসপাতাল চত্বর, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় পানি জমে আছে। সরকারি কলেজ-মাছখোলা সড়কে হাঁটুসমান পানি থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও অনেক বাড়ির আঙিনা, টয়লেট ও নলকূপও পানির নিচে তলিয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে মাছের ঘের, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। ফলে প্রতি বর্ষায় একই ধরনের জলাবদ্ধতার শিকার হতে হচ্ছে। সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা এরশাদ আলী বলেন, বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ পোহাচ্ছি।

সাতক্ষীরায় ডুবল সড়ক-হাসপাতাল চত্বর -কলেজ মাঠ

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির ফলে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষেরা। সবশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

টানা বৃষ্টি ও পানি নিষ্কাশনের পথ বাধাগ্রস্ত থাকায় শহরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তরের আঙিনা এবং অনেক বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠ, সদর হাসপাতাল চত্বর, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় পানি জমে আছে। সরকারি কলেজ-মাছখোলা সড়কে হাঁটুসমান পানি থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও অনেক বাড়ির আঙিনা, টয়লেট ও নলকূপও পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে মাছের ঘের, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। ফলে প্রতি বর্ষায় একই ধরনের জলাবদ্ধতার শিকার হতে হচ্ছে।

সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা এরশাদ আলী বলেন, বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। একটু বেশি বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট ও বাড়ির আশপাশ পানিতে তলিয়ে যায়। দ্রুত স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

সাতক্ষীরায় ডুবল সড়ক-হাসপাতাল চত্বর -কলেজ মাঠ
টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন বসতবাড়িতে এভাবে পানি ঢুকে পড়েছে

একই এলাকার আকলিমা খাতুন বলেন, রাতভর বৃষ্টিতে রান্নাঘরে পানি ঢুকে গেছে। পানি আরও বাড়লে ঘরের ভেতরেও ঢুকে পড়বে। ছোট ছোট সন্তান নিয়ে খুব উদ্বেগে আছি।

আরেক বাসিন্দা জবেদা বেগম বলেন, ঘরের উঠানে হাঁটু সমান পানি। রান্না-বান্না থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সব কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

ভ্যান চালক শফিকুল বলেন, বৃষ্টির কারণে মানুষ কম বের হচ্ছে। তাই সারাদিনে তেমন কোনো ভাড়া পাচ্ছি না। আয় না থাকায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন বলেন, শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরায় ২২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী কয়েকদিনও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্নব দত্ত বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন চলছে, পাশাপাশি শহরের স্লুইস গেট খুলে দেওয়া হবে। এছাড়াও বিভিন্ন ড্রেন সচল করে প্রাণসায়ের খালের সঙ্গে সংযুক্ত করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হলে জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আহসানুর রহমান রাজীব/এসজেডএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow