সাতক্ষীরা থেকে বাস রিজার্ভ করে পিলখানায় এলেন ৩৬ কসাই
বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৭টা। রাজধানীর নিউমার্কেটের অদূরে বিজিবি সদর দপ্তরের (পিলখানা) বীর উত্তম হাবিবুর রহমান গেটের সামনে এসে থামে একটি বাস। বাস থেকে নেমে এক যুবক কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষীদের জানান, সাতক্ষীরা থেকে তারা ৩৬ জন কসাই এসেছেন। ঈদের দিন বিজিবি কর্মকর্তাদের ১৭টি গরু জবাই ও কাটাকাটির কাজ করবেন তারা। নিরাপত্তারক্ষীরা ওই যুবককে বাইরে অপেক্ষা করতে বলে সংশ্লিষ্ট বিজিবি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিছুক্ষণ পর অনুমতি মিললে বাসটি ভেতরে প্রবেশ করে। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে কসাইদের দলনেতা আশরাফুর রহমান জানান, এবার নিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিজিবি কর্মকর্তাদের গরু জবাই করতে তারা সদলবলে এসেছেন। ছবি: জাগো নিউজ সবাই পেশাগতভাবে কসাইয়ের কাজ করেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবাই পেশাদার কসাই না হলেও অনেকেই এলাকায় গরু কেটে বিক্রি করেন। কাজ ভালো হওয়ায় প্রতিবছরই ডাক পান বলে দাবি করেন তিনি। আশরাফুর রহমান জানান, ১৭টি গরুর প্রতিটি জবাই ও কাটাকাটির জন্য তারা ৮ হাজার টাকা করে পাবেন। সেই টাকা কসাইদের মধ্যে ভাগ করা হবে। এতে একেকজন তিন থেকে চার হাজার করে টাকা পাবেন। তিনি আরও জানান, কোরবানির পর গর
বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৭টা। রাজধানীর নিউমার্কেটের অদূরে বিজিবি সদর দপ্তরের (পিলখানা) বীর উত্তম হাবিবুর রহমান গেটের সামনে এসে থামে একটি বাস। বাস থেকে নেমে এক যুবক কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষীদের জানান, সাতক্ষীরা থেকে তারা ৩৬ জন কসাই এসেছেন। ঈদের দিন বিজিবি কর্মকর্তাদের ১৭টি গরু জবাই ও কাটাকাটির কাজ করবেন তারা।
নিরাপত্তারক্ষীরা ওই যুবককে বাইরে অপেক্ষা করতে বলে সংশ্লিষ্ট বিজিবি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিছুক্ষণ পর অনুমতি মিললে বাসটি ভেতরে প্রবেশ করে।
এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে কসাইদের দলনেতা আশরাফুর রহমান জানান, এবার নিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিজিবি কর্মকর্তাদের গরু জবাই করতে তারা সদলবলে এসেছেন।
ছবি: জাগো নিউজ
সবাই পেশাগতভাবে কসাইয়ের কাজ করেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবাই পেশাদার কসাই না হলেও অনেকেই এলাকায় গরু কেটে বিক্রি করেন। কাজ ভালো হওয়ায় প্রতিবছরই ডাক পান বলে দাবি করেন তিনি।
আশরাফুর রহমান জানান, ১৭টি গরুর প্রতিটি জবাই ও কাটাকাটির জন্য তারা ৮ হাজার টাকা করে পাবেন। সেই টাকা কসাইদের মধ্যে ভাগ করা হবে। এতে একেকজন তিন থেকে চার হাজার করে টাকা পাবেন।
তিনি আরও জানান, কোরবানির পর গরু কাটাকাটি শেষ হলে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা থাকে। খাওয়া-দাওয়ার পর পুরো বিলও পরিশোধ করে দেওয়া হয় বিজিবির পক্ষ থেকে। বিজিবি কর্মকর্তাদের কাজ করে তারা আনন্দ পান বলে জানান তিনি। তাদের ভালো লাগে বলে জানান তিনি।
বাসটি যখন পিলখানার গেটের বাইরে অপেক্ষা করছিল, তখন কসাইদের কয়েকজন আশপাশের মহল্লায় গিয়ে বাড়িওয়ালাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা অতিরিক্ত কাজের সুযোগ আছে কি না জানতে চান।
ছবি: জাগো নিউজ
কসাই রহিম মিয়া জানান, বিজিবি কর্মকর্তাদের গরুগুলো খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জবাইয়ের কাজ শেষ হবে। এরপর তাদের হাতে অনেকটা সময় ফাঁকা থাকবে। তাই গেটসংলগ্ন এলাকার বাসাবাড়িতে অতিরিক্ত কাজের খোঁজ করছেন। এতে বাড়তি কিছু আয় হবে বলে জানান তিনি।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দেশব্যাপী ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এরই মধ্যে অনেকেই কোরবানির জন্য পছন্দের পশু কিনেছেন। এখন চলছে কসাই খোঁজার ব্যস্ততা।
রাজধানীর আজিমপুর এলাকায় অবস্থানরত কালাম মিয়া নামের এক কসাই জানান, তারা যশোরের কেশবপুর থেকে সাত-আটজন এসেছেন। আজিমপুর গভর্নমেন্ট কলোনির কয়েকজন কর্মকর্তার গরু জবাই ও কাটাকাটির কাজ করবেন তারা। পশুর ক্রয়মূল্যের প্রতি হাজার টাকার বিপরীতে ১৫০ টাকা হারে মজুরি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এমইউ/এমএমকে
What's Your Reaction?