সাতটি হাই-স্পিড রেল করিডর নির্মাণের পরিকল্পনা করছে ভারত
ভারত আন্তঃনগর যোগাযোগ উন্নত করতে ৭টি হাই-স্পিড রেল করিডর নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো শহরের যানজট কমানো, পরিবেশবান্ধব পরিবহন গড়ে তোলা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো। নতুন এই রেল নেটওয়ার্ক বড় শহর ও আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে দ্রুতগতির ট্রেনের মাধ্যমে যুক্ত করবে, ফলে ভ্রমণ সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই করিডরগুলো চালু হলে শহর ও গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। ছোট শহরগুলো বড় শহরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ হবে, অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমবে এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। পরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির ট্রেন, উন্নত সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং উঁচু ট্র্যাক নির্মাণের মাধ্যমে জমির ব্যবহার কমানো ও পরিবেশের ক্ষতি সীমিত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই নেটওয়ার্ককে গণপরিবহন, সাইকেল চলাচল ও পথচারীবান্ধব অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করার পরিকল্পনাও রয়েছে। অর্থনৈতিক দিক থেকেও এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্রুত যাতায়াতের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে
ভারত আন্তঃনগর যোগাযোগ উন্নত করতে ৭টি হাই-স্পিড রেল করিডর নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো শহরের যানজট কমানো, পরিবেশবান্ধব পরিবহন গড়ে তোলা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো। নতুন এই রেল নেটওয়ার্ক বড় শহর ও আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে দ্রুতগতির ট্রেনের মাধ্যমে যুক্ত করবে, ফলে ভ্রমণ সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই করিডরগুলো চালু হলে শহর ও গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। ছোট শহরগুলো বড় শহরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ হবে, অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমবে এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
পরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির ট্রেন, উন্নত সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং উঁচু ট্র্যাক নির্মাণের মাধ্যমে জমির ব্যবহার কমানো ও পরিবেশের ক্ষতি সীমিত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই নেটওয়ার্ককে গণপরিবহন, সাইকেল চলাচল ও পথচারীবান্ধব অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্রুত যাতায়াতের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে, নতুন বিনিয়োগ বাড়বে এবং করিডরের আশপাশের এলাকায় আবাসন ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন ও স্থানীয় পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং জনগণের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে এটি টেকসই ও আধুনিক নগর পরিবহনের একটি উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। তথ্যসূত্র : আরবান একরস
What's Your Reaction?