সাত কলেজের তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা পেছানোর দাবি শিক্ষার্থীদের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ছুটি শেষ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে ফিরে এসে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সরকারি সাত কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, নির্বাচনী ছুটিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিজ নিজ জেলায় অবস্থান করছেন। ছুটি শেষে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে রাজধানীতে ফিরে এসে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান তারা।
ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, নির্বাচনী পরিবেশ, যানবাহন সংকট এবং দূরবর্তী জেলা থেকে যাতায়াতের সময়সাপেক্ষতার কারণে নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ফলে একাডেমিক ক্ষতির আশঙ্কায় তারা পরীক্ষা অন্তত কয়েকদিন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।
ঢাকা কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ইহসান জুবায়ের তার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ছুটি শেষ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে ফিরে এসে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সরকারি সাত কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, নির্বাচনী ছুটিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিজ নিজ জেলায় অবস্থান করছেন। ছুটি শেষে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে রাজধানীতে ফিরে এসে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান তারা।
ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, নির্বাচনী পরিবেশ, যানবাহন সংকট এবং দূরবর্তী জেলা থেকে যাতায়াতের সময়সাপেক্ষতার কারণে নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ফলে একাডেমিক ক্ষতির আশঙ্কায় তারা পরীক্ষা অন্তত কয়েকদিন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।
ঢাকা কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ইহসান জুবায়ের তার ফেসবুক পোস্টে জানান, সাতক্ষীরা থেকে কোনো টিকেট পাইনি, রেলও নেই যে ছাদে ঝুলে যাব। শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ হওয়ায় কাটা লাইনে ২৮৫ কিলোমিটার যাওন সম্ভব না, এজন্য ১৫ তারিখের পরীক্ষা দিচ্ছি না।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
সরকারি সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসক এবং ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াসের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।