সাত বছরে মুফতি ফয়জুলের আয় বেড়েছে দ্বিগুণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে বরিশালের দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। এর আগে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বরিশাল সদর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। তখন নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন। দুটি হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সাত বছরে চরমোনাই পীরের ভাই ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতা মুফতি ফয়জুল করীমের যেমন আয় বেড়েছে তেমনি বেড়েছে সম্পদের পরিমাণ। এমনকি প্রার্থীর নিজের পাশাপাশি সম্পদ অর্জন করেছেন তার স্ত্রীও। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ৫৩ বছর বয়সী এমএ পাস মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বর্তমানে দাওয়াত ও শিক্ষকতা পেশায় আয় ১৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে এ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ৩ লাখ ২২ হাজার, মাহফিলের সম্মানী ৪ লাখ এবং শিক্ষকতা করে আয় করেন ৭ লাখ ৬ হাজার টাকা। সাত বছর আগে অর্থাৎ ২০১৮ সালে তার আয় ছিল ৭ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ টাকা। এর মধ্যে দোকান ভাড়া দিয়ে ৩ লাখ ৬ হাজার এবং হাদিয়া বাবদ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭৯৮ টাকা আয় করতেন তিনি। সেই হিসেবে সাত

সাত বছরে মুফতি ফয়জুলের আয় বেড়েছে দ্বিগুণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে বরিশালের দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।

এর আগে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বরিশাল সদর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। তখন নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন।

দুটি হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সাত বছরে চরমোনাই পীরের ভাই ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতা মুফতি ফয়জুল করীমের যেমন আয় বেড়েছে তেমনি বেড়েছে সম্পদের পরিমাণ। এমনকি প্রার্থীর নিজের পাশাপাশি সম্পদ অর্জন করেছেন তার স্ত্রীও।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ৫৩ বছর বয়সী এমএ পাস মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বর্তমানে দাওয়াত ও শিক্ষকতা পেশায় আয় ১৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে এ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ৩ লাখ ২২ হাজার, মাহফিলের সম্মানী ৪ লাখ এবং শিক্ষকতা করে আয় করেন ৭ লাখ ৬ হাজার টাকা।

সাত বছর আগে অর্থাৎ ২০১৮ সালে তার আয় ছিল ৭ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ টাকা। এর মধ্যে দোকান ভাড়া দিয়ে ৩ লাখ ৬ হাজার এবং হাদিয়া বাবদ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭৯৮ টাকা আয় করতেন তিনি। সেই হিসেবে সাত বছরের তার আয় বেড়েছে দ্বিগুণ।

অপরদিকে, বর্তমানে তার নিজের নামে নগদ ৩১ লাখ ১২ হাজার ৪৭ টাকাসহ ৩৩ লক্ষ ১৩ হাজার ২২৩ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরাধিকার সূত্রে ১ হাজার ৬০ শতাংশ এবং আরও ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ জমি রয়েছে তাঁর নামে।

এছাড়া তার স্ত্রী গৃহিণী ও ব্যবসায়ী তাসলিমা আক্তারের নামে নগদ ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা অস্থাবর সম্পদ দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি ১৮৭ ভরি উপহারের স্বর্ণালংকারসহ মোট ৩ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে স্ত্রীর নামে। স্থাবর সম্পদের তালিকায় কৃষি জমি, অকৃষি জমি, বাণিজ্যিক ভবন, অ্যাপার্টমেন্টসহ মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার ১২৪ টাকার সম্পদ আছে তার।

পূর্বে অস্থাবর সম্পদের তালিকায় প্রার্থীর নিজের নামে নগদ ৫ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৭ লাখ ৫০ হাজার, ১০ লাখ টাকা মূল্যের যানবাহন, স্বর্ণ ও অন্যান্য অলংকার ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ২৮২ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এক লাখ টাকা ও আসবাবপত্র এক লাখ ২০ হাজার টাকা ছিল।

এছাড়া ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১৪৮ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ ছিল। তবে ২০১৮ সালে স্ত্রীর নামে কোনো অস্থাবর, স্থাবর সম্পদের তথ্য হলফনামায় দেখাননি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই কেন্দ্রীয় নেতা। সেই হিসেবে গত ৭ বছরে নিজের আয়ের পাশাপাশি স্ত্রীর নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow