সান্ত্বনার জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো বাংলাদেশ
তামিমের সেঞ্চুরি নাকি বাংলাদেশের জয়, নাকি দুটোই! দুই ক্ষেত্রেই তো সমীকরণ ছিল ৩ রানের! ম্যাচের শেষভাগে এটাই ছিল মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তামিমকে সেঞ্চুরির সুযোগ দিতে সিকান্দার রাজার এক ওভার তো পুরোটাই ডিফেন্স করে কাটালেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু তামিম পারলেন না, পরের ওভারের প্রথম বলেই বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন তিনি। টানা দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ আগেই হাতছাড়া হয়েছিল, দুই ম্যাচেই ব্যাটাররা লাগাতার ব্যর্থ হয়েছিলেন। তবে হোয়াইয়টওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে জেগে উঠলেন ব্যাটাররা। দুইশ ছোঁয়ার লক্ষ্য তাড়ায় শতরানের জুটি গড়লেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। দুজনের ব্যাট থেকেই এলো পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস। আর তাতে শেষ ম্যাচে সান্ত্বনার জয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো বাংলাদেশ। শনিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। আগে ব্যাটিং করে ১৯৯ রানে অল আউট হয় জিম্বাবুয়ে। জবাবে ৩ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা। তবে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে জিম্বাবুয়ে। রান তাড়ায় তানজিদ তামিম ও সৌম্য সরকার দারুণ শুরু এনে দেন। দুই ওপেনার মিলে ৯ ওভারেই
তামিমের সেঞ্চুরি নাকি বাংলাদেশের জয়, নাকি দুটোই! দুই ক্ষেত্রেই তো সমীকরণ ছিল ৩ রানের! ম্যাচের শেষভাগে এটাই ছিল মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তামিমকে সেঞ্চুরির সুযোগ দিতে সিকান্দার রাজার এক ওভার তো পুরোটাই ডিফেন্স করে কাটালেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু তামিম পারলেন না, পরের ওভারের প্রথম বলেই বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন তিনি।
টানা দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ আগেই হাতছাড়া হয়েছিল, দুই ম্যাচেই ব্যাটাররা লাগাতার ব্যর্থ হয়েছিলেন। তবে হোয়াইয়টওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে জেগে উঠলেন ব্যাটাররা। দুইশ ছোঁয়ার লক্ষ্য তাড়ায় শতরানের জুটি গড়লেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। দুজনের ব্যাট থেকেই এলো পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস। আর তাতে শেষ ম্যাচে সান্ত্বনার জয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো বাংলাদেশ।
শনিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। আগে ব্যাটিং করে ১৯৯ রানে অল আউট হয় জিম্বাবুয়ে। জবাবে ৩ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা। তবে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে জিম্বাবুয়ে।
রান তাড়ায় তানজিদ তামিম ও সৌম্য সরকার দারুণ শুরু এনে দেন। দুই ওপেনার মিলে ৯ ওভারেই দলীয় অর্ধশতক পূর্ণ করেন। এরপর ১৯ ওভারের আগেই আসে শতরান। দুজনের ১৫২ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ২৯তম ওভারে।
তানাকা শিভাঙ্গার বলে বোল্ড হওয়ার আগে সৌম্য সরকার ৬৯ রান করেন। ৮২ বলের ইনিংসে তার ব্যাট থেকে আসে ৬ চার ও ২ ছক্কা। তখন জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২১ ওভারে মাত্র ৪৮ রান, হাতে ছিল ৯ উইকেট।
এরপর শান্তকে নিয়ে বাকি কাজ সারেন তামিম। তবে সেঞ্চুরির একদম কাছে গিয়েও ব্যর্থ হন তিনি। ৩৫তম ওভারের প্রথম বলে আউট হওয়ার আগে করেন ৯৪ রান। ১০১ বলের ইনিংসে ৮ চার ও ৩ ছক্কা হাঁকান এই বাঁ-হাতি ওপেনার। তামিম ফেরার পর উইকেটে এসে দুই বল খেলেই ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন তাওহীদ হৃদয়। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। পরের ওভারেই জয় পেয়ে যায় বাংলাদেশ।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ষষ্ঠ ওভারে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বেন কারানকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন শরীফুল ইসলাম। এরপরই তাসকিন আহমেদ উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান ব্রায়ান বেনেটকে। পরে শরীফুলের বলে উইকেটকিপার নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ক্রেইগ আরভিন।
তিন উইকেট হারানোর পর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে ৫১ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন। তবে তাসকিন বোলিংয়ে ফিরে প্রথম বলেই কাইয়াকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন।
এরপর সিকান্দার রাজা ও মাধেভেরের জুটিও বেশিদূর এগোতে দেননি বাংলাদেশের বোলাররা। তানভীর ইসলামের ধীরগতির বলে ভুল শটে সাইফউদ্দিনের হাতে ক্যাচ দেন রাজা। পরের ওভারেই শরীফুল ফিরিয়ে দেন ক্লাইভ মাদান্দেকেও।
ওয়েসলি মাধেভেরে অবশ্য একপ্রান্ত আগলে রেখে ৭৪ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন। ইনিংসের শেষদিকে ৪৩ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন ব্র্যাড ইভান্স। তাদের দুজনের লড়াইয়ে জিম্বাবুয়ে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয়।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরীফুল ইসলাম। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন তিনি। তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট পান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
এসকেডি/আইএইচএস
What's Your Reaction?