সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার ৭ বছরের কারাদণ্ড
চট্টগ্রামে প্রায় ১৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা এক মামলায় অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের এক সাবেক কর্মকর্তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান এ রায় দেন। দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি কালবেলাকে বলেন, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে, প্রধান আসামি পদের অপব্যবহার করে জনগণের আমানত লুণ্ঠন করেছেন। দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় তাকে ৭ বছর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যেহেতু দুটি সাজা একসাথে চলবে, তাই তাকে মোট ৭ বছর জেল খাটতে হবে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. ফজলে আজিম রায়ের সময় পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, মো. ফজলে আজিম অগ্রণী ব্যাংকের বহদ্দারহাট বিটি শাখায় কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিদেশি রেমিট্যান্স প্রদানের দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, তিনি কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে যোগসাজশে ভুয়া
চট্টগ্রামে প্রায় ১৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা এক মামলায় অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের এক সাবেক কর্মকর্তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান এ রায় দেন।
দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি কালবেলাকে বলেন, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে, প্রধান আসামি পদের অপব্যবহার করে জনগণের আমানত লুণ্ঠন করেছেন। দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় তাকে ৭ বছর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যেহেতু দুটি সাজা একসাথে চলবে, তাই তাকে মোট ৭ বছর জেল খাটতে হবে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. ফজলে আজিম রায়ের সময় পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, মো. ফজলে আজিম অগ্রণী ব্যাংকের বহদ্দারহাট বিটি শাখায় কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিদেশি রেমিট্যান্স প্রদানের দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, তিনি কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে যোগসাজশে ভুয়া রেমিট্যান্স রেফারেন্স তৈরি করে ব্যাংকের অর্থ নিজের ও অন্যদের হিসাবে স্থানান্তর করেন।
দুদকের তদন্তে উঠে আসে, ২০১১ সালে বিভিন্ন সময়ে জাল কম্পিউটার জেনারেটেড রিসিট ও ট্রান্সফার ভাউচার ব্যবহার করে ব্যাংকের মোট ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। পরে ওই অর্থ বিভিন্ন হিসাব থেকে উত্তোলন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
আদালত রায়ে বলেন, অভিযোগপত্রে উপস্থাপিত নথিপত্র, সাক্ষ্য ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য থেকে প্রধান আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে তাকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, সাজাগুলো একসঙ্গে কার্যকর হবে।
একই মামলায় অভিযুক্ত মোহাম্মদ রেজাত হোসেন, হামদে রাব্বি মুন্না ও রিপায়ন বড়ুয়াকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলাটি প্রথমে ২০১৯ সালে চান্দগাঁও থানায় দায়ের করা হয়। পরে এটি বিশেষ মামলা হিসেবে বিচারাধীন ছিল।
What's Your Reaction?