সাভারে এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহতদের পরিচয় প্রকাশ
ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, বরিশাল বাকেরগঞ্জের মো. গণি খন্দকারের ছেলে মো. শাহীন খান্দকার (৩০); পঞ্চগড় তেতুলিয়ার জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. জসিম (২৬) ও সাভারের উসমান গণির ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন (৪০)। সোমবার (০৬ জুলাই) রাত ৯টা ৪৩ মিনিটের দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ডসংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করে দলটি। মিছিলটি সাভার থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে গিয়ে শেষ হয়। এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াসির আরাফাত জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা সমাবেশ লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে অন্তত তিনজন আহত হন। তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় মঞ্চে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ঘ
ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন, বরিশাল বাকেরগঞ্জের মো. গণি খন্দকারের ছেলে মো. শাহীন খান্দকার (৩০); পঞ্চগড় তেতুলিয়ার জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. জসিম (২৬) ও সাভারের উসমান গণির ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন (৪০)।
সোমবার (০৬ জুলাই) রাত ৯টা ৪৩ মিনিটের দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ডসংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণের পরপরই সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করে দলটি। মিছিলটি সাভার থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে গিয়ে শেষ হয়।
এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াসির আরাফাত জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা সমাবেশ লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে অন্তত তিনজন আহত হন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় মঞ্চে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় কাউকে আটক বা শনাক্ত করার তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে হামলার বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?