সামান্য পারিশ্রমিকে বিয়েবাড়িতে গাওয়া শিল্পী এখন কোটি টাকার মালিক

দক্ষিণী সিনেমা থেকে শুরু করে গোটা দেশের সংগীত জগতে আলোচিত নাম অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্র। কোটি টাকার পারিশ্রমিক পাওয়া এই জনপ্রিয় সুরকারের যাত্রাপথ শুরু হয়েছিল একেবারেই সাধারণ জায়গা থেকে- বিয়েবাড়ির মঞ্চে গান গেয়ে কখনো ৫০০ টাকায়, কখনো আবার শুধু একটি ‘ধন্যবাদ’ নিয়েই। সেখান থেকেই আজকের এই সফল অবস্থানে পৌঁছনোর গল্প শুনিয়েছেন অনিরুদ্ধ নিজেই। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনের কথা স্মরণ করে অনিরুদ্ধ বলেন, তখন টাকার অংক তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। ছিল গান গাওয়ার নেশা, লাইভ পারফরম্যান্সের উত্তেজনা আর মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের আনন্দ। ছোটখাটো অনুষ্ঠান, বিয়েবাড়ি কিংবা বন্ধুবান্ধবের আড্ডা-যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন, সেখানেই নিজের সুর তুলে ধরেছেন তিনি। সেই দিনগুলোর সরল আনন্দ ও অকৃত্রিম উচ্ছ্বাস আজও তার কাছে অমূল্য। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অনিরুদ্ধ বলেন, ‘অল্প বয়সে বিয়েবাড়িতে গান গাইতে গেলে আমাকে ৫০০ টাকায় দেওয়া হত। তখন খুব আনন্দ পেতাম। কোথাও আবার পারিশ্রমিকের বদলে পান দেওয়া হতো। এখন পারিশ্রমিক কোটি কোটি টাকায় পৌঁছেছে। তবু আগের মতো সুখ আর নেই। যতই কাজের চাপ থাকুক, সেই দিনগুলো কখনো ভুলতে পারব না।” সময়ের সঙ্গে বদলেছে তার ক

সামান্য পারিশ্রমিকে বিয়েবাড়িতে গাওয়া শিল্পী এখন কোটি টাকার মালিক

দক্ষিণী সিনেমা থেকে শুরু করে গোটা দেশের সংগীত জগতে আলোচিত নাম অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্র। কোটি টাকার পারিশ্রমিক পাওয়া এই জনপ্রিয় সুরকারের যাত্রাপথ শুরু হয়েছিল একেবারেই সাধারণ জায়গা থেকে- বিয়েবাড়ির মঞ্চে গান গেয়ে কখনো ৫০০ টাকায়, কখনো আবার শুধু একটি ‘ধন্যবাদ’ নিয়েই। সেখান থেকেই আজকের এই সফল অবস্থানে পৌঁছনোর গল্প শুনিয়েছেন অনিরুদ্ধ নিজেই।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিনের কথা স্মরণ করে অনিরুদ্ধ বলেন, তখন টাকার অংক তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। ছিল গান গাওয়ার নেশা, লাইভ পারফরম্যান্সের উত্তেজনা আর মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের আনন্দ। ছোটখাটো অনুষ্ঠান, বিয়েবাড়ি কিংবা বন্ধুবান্ধবের আড্ডা-যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন, সেখানেই নিজের সুর তুলে ধরেছেন তিনি। সেই দিনগুলোর সরল আনন্দ ও অকৃত্রিম উচ্ছ্বাস আজও তার কাছে অমূল্য।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অনিরুদ্ধ বলেন, ‘অল্প বয়সে বিয়েবাড়িতে গান গাইতে গেলে আমাকে ৫০০ টাকায় দেওয়া হত। তখন খুব আনন্দ পেতাম। কোথাও আবার পারিশ্রমিকের বদলে পান দেওয়া হতো। এখন পারিশ্রমিক কোটি কোটি টাকায় পৌঁছেছে। তবু আগের মতো সুখ আর নেই। যতই কাজের চাপ থাকুক, সেই দিনগুলো কখনো ভুলতে পারব না।”

সময়ের সঙ্গে বদলেছে তার কাজের পরিধি। দক্ষিণী সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে আজ তিনি দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও সফল সংগীত পরিচালকদের একজন। একের পর এক হিট গান, ব্লকবাস্টার সিনেমার সাফল্য আর বিপুল পারিশ্রমিক-সবই এসেছে তার ঝুলিতে। তবে অনিরুদ্ধ মনে করেন, শুরুটা যদি আবেগ ও ভালোবাসা দিয়ে না হতো, তাহলে এই উচ্চতায় পৌঁছনো সম্ভব হতো না।

অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্রের গল্প শুধু একজন সফল সুরকারের উত্থানের কাহিনি নয়, বরং আবেগকে পুঁজি করে এগিয়ে যাওয়ার এক অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ। যত দূরই এগোন না কেন, জীবনের সবচেয়ে দামি সম্পদ হিসেবে তিনি ধরে রেখেছেন শুরুর সেই সুর আর দিনগুলো।

২০১২ সালে ধনুষ অভিনীত ‘থ্রি’ সিনেমার গান ‘হোয়াই দিস কোলাভেরি ডি’ দিয়েই রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন অনিরুদ্ধ। গানটি শুধু দক্ষিণী সিনেমায় নয়, গোটা দেশের সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে ঝড় তোলে। সহজ কথা, আধুনিক বিট আর তরুণ প্রজন্মের অনুভূতির মেলবন্ধনই তার কাজের বড় শক্তি হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন:
শাহরুখকে নিয়ে ‘ম্যায় হুঁ না ২’ নির্মাণের গুঞ্জন
হাত-পা কেটে গেলেও নাচ থামাননি ক্যাটরিনা কাইফ!

এরপর ‘এথির নীচল’, ‘ভিআইপি’, ‘রেমো’, ‘পেট্টা’, ‘মাস্টার’, ‘বিক্রম’, ‘জওয়ান’সহ একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমাতে সুর ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর দিয়ে নিজের দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন অনিরুদ্ধ। বিশেষ করে তার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সিনেমার আবেগ ও নাটকীয়তাকে আরও গভীর করে তোলে, যা তাকে দর্শকের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।

এমএমএফ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow