সালিশে বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের বিরোধ মীমাংসার উদ্দেশ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির দাবি, এ ঘটনায় তাদের ১০/১২ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে খোকসা উপজেলার জয়ন্তিহাজরা ইউনিয়নের মাসলিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বৈঠক চলাকালে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় তিনজন আহত হলে তাদের খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়নের মাসলিয়া গ্রামের চাঁদ আলীর ছেলে নিজাম (৫০), মুজিব মালের ছেলে রেন্টু মাল (৫২), কুদ্দুস মালের ছেলে হাবিব (২০)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ওই এলাকায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেনের কর্মী-সমর্থকরা ভোটের প্রচারণায় গেলে এক বৃদ্ধ ভোটার জানান, তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেবেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক চলাকালে একপর্যা

সালিশে বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের বিরোধ মীমাংসার উদ্দেশ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির দাবি, এ ঘটনায় তাদের ১০/১২ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে খোকসা উপজেলার জয়ন্তিহাজরা ইউনিয়নের মাসলিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বৈঠক চলাকালে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় তিনজন আহত হলে তাদের খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়নের মাসলিয়া গ্রামের চাঁদ আলীর ছেলে নিজাম (৫০), মুজিব মালের ছেলে রেন্টু মাল (৫২), কুদ্দুস মালের ছেলে হাবিব (২০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ওই এলাকায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেনের কর্মী-সমর্থকরা ভোটের প্রচারণায় গেলে এক বৃদ্ধ ভোটার জানান, তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেবেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বৈঠক চলাকালে একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। বিএনপির অভিযোগ, জামায়াত ও শিবির কর্মীরা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে বিএনপির অন্তত ১০ থেকে ১২ জন কর্মী আহত হন। আহতদের মধ্যে খাইরুল, তুহিন ও নিজামকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা অভিযোগ করেন, হামলায় চাইনিজ কুড়াল ও চাইনিজ স্টিক ব্যবহার করা হয়েছে।

এদিকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেন বলেন, সালিশ বৈঠকে ভুল বোঝাবুঝির জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তার দলেরও দুইজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু বলেন, সালিশ বৈঠকে বিএনপির অল্প কয়েকজন কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তবে জামায়াত পূর্বপরিকল্পিতভাবে ২৫-৩০ জন লোক নিয়ে সেখানে হাজির হয়। বৈঠকের একপর্যায়ে জামায়াত ও শিবির কর্মীরা অতর্কিতে বিএনপি কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তিনি দাবি করেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো পাল্টা হামলা করা হয়নি।

খোকসা থানার ওসি মোতালেব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে উভয়পক্ষ এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করবে না বলে জানিয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow