সায়েদাবাদে ১০০ অবৈধ বাস কাউন্টার সিলগালা
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০০টি অবৈধ বাস কাউন্টার সিলগালা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। একইসঙ্গে ওই এলাকার ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের অবৈধ স্থাপনাগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও অবৈধ কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার (৮ এপ্রিল) অভিযান চালিয়ে একই এলাকার কিছু অবৈধ বাস কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আছলাম সাংবাদিকদের বলেন, রাস্তায় কাউন্টার থাকার জন্য মানুষের অনেক অসুবিধা হয়। সেজন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে রাস্তার পাশে আর কোনো কাউন্টার থাকবে না। আমাদের সরকারি যে টার্মিনাল রয়েছে, সেই নির্ধারিত স্থান থেকেই যেন যাত্রীরা উঠা-নামা করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা এই অভিযানে নেমেছি। তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত সায়েদাবাদ এলাকার ১০০টির মতো কাউন্টার সিলগালা করেছি। কাউকে কোনো জরিমানা করা হয়নি। আমরা আপাতত কাউন্টার সিলগালা করে দিচ্ছি। পরবর্তীতেও আমাদের মনিটরিং অব্যাহত
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০০টি অবৈধ বাস কাউন্টার সিলগালা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। একইসঙ্গে ওই এলাকার ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের অবৈধ স্থাপনাগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও অবৈধ কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার (৮ এপ্রিল) অভিযান চালিয়ে একই এলাকার কিছু অবৈধ বাস কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আছলাম সাংবাদিকদের বলেন, রাস্তায় কাউন্টার থাকার জন্য মানুষের অনেক অসুবিধা হয়। সেজন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে রাস্তার পাশে আর কোনো কাউন্টার থাকবে না। আমাদের সরকারি যে টার্মিনাল রয়েছে, সেই নির্ধারিত স্থান থেকেই যেন যাত্রীরা উঠা-নামা করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা এই অভিযানে নেমেছি।
তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত সায়েদাবাদ এলাকার ১০০টির মতো কাউন্টার সিলগালা করেছি। কাউকে কোনো জরিমানা করা হয়নি। আমরা আপাতত কাউন্টার সিলগালা করে দিচ্ছি। পরবর্তীতেও আমাদের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। কেউ যদি পুনরায় রাস্তার পাশে কাউন্টার পরিচালনা করতে চায়, তাহলে জরিমানাসহ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে যেহেতু এখানে তারা দোকান ভাড়া নিয়েছে, তারা চাইলে অন্য ব্যবসা করতে পারবেন।
উলেক্ষ্য, গত ১০ মার্চ নগর ভবনে ডিএসসিসি, ডিএমপি এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সায়েদাবাদ টার্মিনালের বাইরের সব অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ এবং টার্মিনালের ভেতরে সুশৃঙ্খলভাবে কাউন্টার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত হয়।
এছাড়াও একইদিন পৃথক অভিযান চালিয়ে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দক্ষিণ পাশে জিপিও লিংক রোডের উভয় পাশের রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে ফুটপাত দখল করে থাকা অস্থায়ী দোকান ও অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করার ফলে পথচারী চলাচলের পথ পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে বৃহস্পতিবার ডিএসসিসির পক্ষ থেকে একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ডিএসসিসির আওতাধীন সব শপিংমল ও মার্কেটের সামনের ফুটপাতে কোনো প্রকার মালামাল রাখা যাবে না। দখলদারদের নিজ উদ্যোগে অবিলম্বে সব মালামাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট দোকান বা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স বাতিলসহ বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে ডিএসসিসির এই উচ্ছেদ ও তদারকি অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
What's Your Reaction?