সিএমপির নতুন কমিশনার শওকত আলী
৩৪তম কমিশনার হিসেবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হাসান মো. শওকত আলী। বুধবার (১ এপ্রিল) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের সময় সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন। পরে তিনি সদ্য বিদায়ী কমিশনার হাসিব আজিজের কাছ থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেন। নবনিযুক্ত কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। কর্মজীবনে তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র্যাবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে লাইবেরিয়া, হাইতি ও মালিতে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সিএমপিতে যোগদানের আগে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে ডিআইজি (লজিস্টিক) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরের লালদিঘীস্থ সিএমপি সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন নতুন কমিশনার। সভায় তিনি জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে ন্যায়নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নগরীর
৩৪তম কমিশনার হিসেবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হাসান মো. শওকত আলী।
বুধবার (১ এপ্রিল) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের সময় সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন। পরে তিনি সদ্য বিদায়ী কমিশনার হাসিব আজিজের কাছ থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেন।
নবনিযুক্ত কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। কর্মজীবনে তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র্যাবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে লাইবেরিয়া, হাইতি ও মালিতে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সিএমপিতে যোগদানের আগে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে ডিআইজি (লজিস্টিক) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরের লালদিঘীস্থ সিএমপি সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন নতুন কমিশনার।
সভায় তিনি জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে ন্যায়নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নগরীর সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদসহ সিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
What's Your Reaction?