সিভিল কর্মচারীদের অযথা ‘স্যার’ বলা যাবে না, কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা

সিভিল কর্মচারীদের প্রতি কারাগারে কর্মরত ইউনিফর্মধারী সদস্যদের অতিরিক্ত ভক্তিসূচক ‘স্যার’ সম্বোধন পরিহারের নির্দেশনা দিয়েছে কারা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা গেছে- কারারক্ষী, সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও প্রধান কারারক্ষীদের মধ্যে কেউ কেউ সিভিল কর্মচারীদের প্রতি অতিরিক্ত ভক্তিসূচক আচরণ প্রদর্শন করে ‘স্যার’ সম্বোধন ব্যবহার করছেন, যা দাপ্তরিক কাঠামোর সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে। এ বিষয়ে আগেও নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে না। এর ফলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তোয়াজের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে, যা একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সিভিল কর্মচারীরা মূলত প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকলেও কারারক্ষী ও সংশ্লিষ্ট ইউনিফর্মধারী সদস্যরা নিরাপত্তা ও গার্ডিং দায়িত্ব পালন করেন। উভয় শ্রেণির দায়িত্ব ও কার্যপরিধি ভিন্ন হওয়ায় তাদের পারস্পরিক আচরণও সে অনুযায়ী হওয়া উচিত

সিভিল কর্মচারীদের অযথা ‘স্যার’ বলা যাবে না, কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা

সিভিল কর্মচারীদের প্রতি কারাগারে কর্মরত ইউনিফর্মধারী সদস্যদের অতিরিক্ত ভক্তিসূচক ‘স্যার’ সম্বোধন পরিহারের নির্দেশনা দিয়েছে কারা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা গেছে- কারারক্ষী, সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও প্রধান কারারক্ষীদের মধ্যে কেউ কেউ সিভিল কর্মচারীদের প্রতি অতিরিক্ত ভক্তিসূচক আচরণ প্রদর্শন করে ‘স্যার’ সম্বোধন ব্যবহার করছেন, যা দাপ্তরিক কাঠামোর সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে।

এ বিষয়ে আগেও নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে না। এর ফলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তোয়াজের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে, যা একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সিভিল কর্মচারীরা মূলত প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকলেও কারারক্ষী ও সংশ্লিষ্ট ইউনিফর্মধারী সদস্যরা নিরাপত্তা ও গার্ডিং দায়িত্ব পালন করেন। উভয় শ্রেণির দায়িত্ব ও কার্যপরিধি ভিন্ন হওয়ায় তাদের পারস্পরিক আচরণও সে অনুযায়ী হওয়া উচিত।

সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাপূর্ণ কারা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ইউনিফর্মধারী ও নন-ইউনিফর্ম কর্মচারীদের মধ্যে দাপ্তরিক আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশেষভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সিভিল কর্মচারীদের প্রতি অযথা ‘স্যার’ সম্বোধন ব্যবহার পরিহার করে পারস্পরিক সম্মান ও বয়সভিত্তিক উপযুক্ত সম্বোধন ব্যবহার করতে হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী নির্দেশনা, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ এবং সাম্প্রতিক নির্দেশনার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ নির্দেশনা দেশের সকল কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারে কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

টিটি/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow