সিরাজগঞ্জে যমুনার তীররক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা

যমুনা নদীতে পানি বাড়তে থাকায় তৈরি হয়েছে প্রবল স্রোত। এতে সিরাজগঞ্জ সদরে যমুনা নদীর ডান তীররক্ষা বাঁধের অন্তত ৪০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর থেকে উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা গ্রামের ডান তীররক্ষা বাঁধ এলাকায় এই ধস শুরু হয়। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নদীতে পানি বাড়ায় হঠাৎ এই ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙন এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছি। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। স্থানীয়রা বলছেন, শনিবার দুপুরে হঠাৎ নদীর ডান তীরের ব্লক ধসে ৩০ মিটার এলাকা মুহূর্তের মধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে আরও ১০ মিটার ধসে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি বিলীন হয়ে যাবে। নদী থেকে মাত্রাতিরিক্ত বালু উত্তোলনের ফলে এই ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করছেন তারা। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এম এ মালেক/এফএ/জে

সিরাজগঞ্জে যমুনার তীররক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা

যমুনা নদীতে পানি বাড়তে থাকায় তৈরি হয়েছে প্রবল স্রোত। এতে সিরাজগঞ্জ সদরে যমুনা নদীর ডান তীররক্ষা বাঁধের অন্তত ৪০ মিটার এলাকা ধসে গেছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর থেকে উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা গ্রামের ডান তীররক্ষা বাঁধ এলাকায় এই ধস শুরু হয়।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নদীতে পানি বাড়ায় হঠাৎ এই ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙন এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছি। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই।

স্থানীয়রা বলছেন, শনিবার দুপুরে হঠাৎ নদীর ডান তীরের ব্লক ধসে ৩০ মিটার এলাকা মুহূর্তের মধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে আরও ১০ মিটার ধসে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি বিলীন হয়ে যাবে। নদী থেকে মাত্রাতিরিক্ত বালু উত্তোলনের ফলে এই ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করছেন তারা।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

এম এ মালেক/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow