সিরাজগঞ্জে ৫টিতে বিএনপি, ১টিতে জামায়াত জয়ী

সিরাজগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং একটিতে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।আসনগুলোর মধ্যে সিরাজগঞ্জ-১ (সদরের চারটি ইউনিয়ন ও কাজিপুর উপজেলা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহিনুর আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ ভোট। তাঁদের ভোটের ব্যবধান ৭ হাজার ৭৯৮ ভোট।সিরাজগঞ্জ-২ (সদরের ছয়টি ইউনিয়ন ও কামারখন্দ উপজেলা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ ভোট। তাঁদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৩৮ হাজার ৭৮১ ভোট।সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মুহা. আব্দুর রউফ সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮০২ ভোট। তাঁদের দুজনের মধ্যে

সিরাজগঞ্জে ৫টিতে বিএনপি, ১টিতে জামায়াত জয়ী

সিরাজগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং একটিতে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

আসনগুলোর মধ্যে সিরাজগঞ্জ-১ (সদরের চারটি ইউনিয়ন ও কাজিপুর উপজেলা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহিনুর আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ ভোট। তাঁদের ভোটের ব্যবধান ৭ হাজার ৭৯৮ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-২ (সদরের ছয়টি ইউনিয়ন ও কামারখন্দ উপজেলা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ ভোট। তাঁদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৩৮ হাজার ৭৮১ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মুহা. আব্দুর রউফ সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮০২ ভোট। তাঁদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৫৭ হাজার ৬২৮ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম খান ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। তাঁদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান মাত্র ৫৯৪ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলী আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৮০৫ ভোট। তাঁদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ২৮ হাজার ১৮৪ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম. এ মুহিত ১ লাখ ৭১ হাজার ৫০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি মনোনীত প্রার্থী এস.এম. সাইফ মুস্তাফিজ পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৮৮৪ ভোট। তাঁদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৬৭ হাজার ৬২৪ ভোট।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেছেন।

প্রসঙ্গত, সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে ২৭ জন প্রার্থী জামানত বাতিলযোগ্য ভোট পেয়েছেন। এছাড়াও প্রতিটি আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow