সিরাজগঞ্জ-৪; জামায়াতের রফিকুল ইসলাম বেসরকারিভাবে জয়ী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের ১৪৭টি কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ফলে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী, যিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সবকটি ১৪৭টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকে এম আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭১৮ ভোট। এতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ১ হাজার ৬৮২ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিজয় নিশ্চিত করে। শতকরা হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রায় ৫০.২৭ শতাংশ এবং ধানের শীষ প্রতীক প্রায় ৪৯.৭৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। উল্লাপাড়া আসনে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত অল্প ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ-৪; জামায়াতের রফিকুল ইসলাম বেসরকারিভাবে জয়ী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের ১৪৭টি কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ফলে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী, যিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সবকটি ১৪৭টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকে এম আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭১৮ ভোট।

এতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ১ হাজার ৬৮২ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিজয় নিশ্চিত করে। শতকরা হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রায় ৫০.২৭ শতাংশ এবং ধানের শীষ প্রতীক প্রায় ৪৯.৭৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

উল্লাপাড়া আসনে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত অল্প ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow