সিরিজ জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ
কার্টেল ওভারের ম্যাচে জিততে হলে ৪১ ওভারে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯২ রান। তবে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুতে ধাক্কা খায় টাইগাররা। ইনিংসের প্রথম বলে অজি পেসার জাভিয়ের বার্টলেট তানজিদ তামিমের প্যাডে বল লাগান। জোরালো আবেদন হলেও আম্পায়ার তা নাকচ করে দেন। তবে পরের বলেই ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বসেন তামিম (০)। ওই ওভারের শেষ বলে আরও একটি উইকেট হারাতে পারতো বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর প্যাডে লাগলে আঙুল তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে জীবন পান শান্ত। এরপর সৌম্য সরকার আর শান্ত জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত তারা অবিচ্ছিন্ন আছেন ৭৮ রানে। সৌম্য ৩৬ আর শান্ত ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন। বৃষ্টি নামার আগে বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান। অজিদের শেষ ভরসা মার্নাস লাবুশানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন ৫৫ রানে। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস সেখানেই থেমেছে। প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর খেলা শুরু হলে বাংলাদেশকে ৪১ ওভারে লক্ষ্য দেওয়া হয় ১৯২ রানের। এর আগে এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। ইনিংস
কার্টেল ওভারের ম্যাচে জিততে হলে ৪১ ওভারে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯২ রান। তবে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুতে ধাক্কা খায় টাইগাররা।
ইনিংসের প্রথম বলে অজি পেসার জাভিয়ের বার্টলেট তানজিদ তামিমের প্যাডে বল লাগান। জোরালো আবেদন হলেও আম্পায়ার তা নাকচ করে দেন। তবে পরের বলেই ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বসেন তামিম (০)।
ওই ওভারের শেষ বলে আরও একটি উইকেট হারাতে পারতো বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর প্যাডে লাগলে আঙুল তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে জীবন পান শান্ত।
এরপর সৌম্য সরকার আর শান্ত জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত তারা অবিচ্ছিন্ন আছেন ৭৮ রানে। সৌম্য ৩৬ আর শান্ত ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন।
বৃষ্টি নামার আগে বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান। অজিদের শেষ ভরসা মার্নাস লাবুশানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন ৫৫ রানে। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস সেখানেই থেমেছে।
প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর খেলা শুরু হলে বাংলাদেশকে ৪১ ওভারে লক্ষ্য দেওয়া হয় ১৯২ রানের।
এর আগে এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। ইনিংসের তৃতীয় বলে তাসকিন আহমেদের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি ছেড়ে দিয়ে বোল্ড হন ম্যাথু শর্ট। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান দেন জোড়া ধাক্কা। একে একে তুলে নেন কুপার কোলোনি এবং ম্যাট রেনশোর উইকেট।
দুইটি উইকেটেই ক্যাচ ধরেছেন উইকেটরক্ষক লিটন কুমার দাস। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম রান যোগ হয় অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে, সেটাও আসে নো বল থেকে।
২৫ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। মোস্তাফিজের করা অফ স্টাম্পের বাইরে শর্টপিচ ডেলিভারি স্কয়ার কাট করতে গিয়েছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি। সেটা চলে যায় ফিল্ডার নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে। ফেরার আগে ১৭ বলে ১৩ রান করেন ক্যারি। এরপর ৭৫ থেকে ৮১, ৬ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট তুলে নেন তানভীর ইসলাম।
৮১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে সপ্তম উইকেটে মার্নাস লাবুশেন আর জাভিয়ের বার্টলেট গড়েন শতরানের জুটি। কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। অবশেষে জোড়া শিকারের ওভারে জুটি ভাঙেন তাসকিন। ৪৮ বলে ৫২ রান করা বার্টলেটকে বোল্ড করেন এই পেসার।
এর কিছুক্ষণ পরই ঝমঝমিয়ে নামে বৃষ্টি। খেলা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিংয়ে নামতে পারেনি।
এমএমআর
What's Your Reaction?