সিলেটে কালবেলার সাংবাদিককে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টা, থানায় অভিযোগ
সিলেটের সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় জাতীয় দৈনিক 'কালবেলা'র জগন্নাথপুর উপজেলা প্রতিনিধি এবং জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী নির্বাহী কমিটির সদস্য গোবিন্দ দেবের ওপর অতর্কিত হামলা ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করেছেন। অভিযোগে মিরপুর ইউনিয়নের লহরী গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন দেবনাথের ছেলে কালী রঞ্জন দেবনাথ (৪৫) (বর্তমানে জগন্নাথপুর বাসুদেব বাড়ির প্রনব দেবের ভাড়াটিয়া) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনা ও এজাহার সূত্রে প্রকাশ অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক গোবিন্দ দেব দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ জগন্নাথপুরে পেশাদার সংবাদকর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন। অভিযুক্ত কালী রঞ্জন দেবনাথ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মন্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে লহরী গ্রামের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ও নারী কেলেঙ্কারির কারণে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে অন্যজনের সাথে বিয়ে করে। এ ঘটনায় রঞ্জন দেবনাথকে গ্রাম থেকে বিতাড়িত করা হয়। এরপর থেকেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিক গোবিন্দ দেবের
সিলেটের সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় জাতীয় দৈনিক 'কালবেলা'র জগন্নাথপুর উপজেলা প্রতিনিধি এবং জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী নির্বাহী কমিটির সদস্য গোবিন্দ দেবের ওপর অতর্কিত হামলা ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করেছেন।
অভিযোগে মিরপুর ইউনিয়নের লহরী গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন দেবনাথের ছেলে কালী রঞ্জন দেবনাথ (৪৫) (বর্তমানে জগন্নাথপুর বাসুদেব বাড়ির প্রনব দেবের ভাড়াটিয়া) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ঘটনা ও এজাহার সূত্রে প্রকাশ অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক গোবিন্দ দেব দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ জগন্নাথপুরে পেশাদার সংবাদকর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন। অভিযুক্ত কালী রঞ্জন দেবনাথ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মন্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে লহরী গ্রামের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ও নারী কেলেঙ্কারির কারণে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে অন্যজনের সাথে বিয়ে করে। এ ঘটনায় রঞ্জন দেবনাথকে গ্রাম থেকে বিতাড়িত করা হয়। এরপর থেকেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিক গোবিন্দ দেবের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর লেখালেখি করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকার সময় সাংবাদিক গোবিন্দ দেব তার মামাতো ভাই লিটন দেবকে সাথে নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ রোডের 'মা কম্পিউটার' ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সংবাদকর্মীর অফিস বন্ধ করে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন।
পথিমধ্যে তারা বাসুদেব বাড়ি পাড়ার সাংবাদিক অমিত দেবের বাড়ির রাস্তার মুখে' পৌঁছামাত্র পূর্বে থেকে ওত পেতে থাকা ১ নং বিবাদী কালী রঞ্জন দেবনাথ মুখে মাস্ক পরিহিত অবস্থায় পেছন থেকে এসে হত্যার উদ্দেশ্যে গোবিন্দ দেবের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করেন। এ সময় কালী রঞ্জন চিৎকার করে বলেন, "আজ তুই শেষ"। ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে গোবিন্দ দেবের সাথে থাকা মামাতো ভাই লিটন দেব চিৎকার শুরু করলে এবং আশপাশের লোকজন উদ্ধারের জন্য ছুটে আসতে থাকলে, হামলাকারীরা গোবিন্দ দেবের শার্টের পকেটে থাকা দোকানের নগদ ৫,০০০ টাকা এবং ২,০০০ টাকা মূল্যের একটি বাটন মোবাইল ফোন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে বিবাদীরা ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে, "আজ তোকে হত্যা করতে পারলাম না, সুযোগ বুঝে অন্য দিন তোকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলব।"
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত সাংবাদিক গোবিন্দ দেবকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় সাংবাদিক গোবিন্দ দেব ও তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)- শফিকুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এদিকে পেশাদার একজন সাংবাদিকের ওপর এমন কাপুরুষোচিত হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন জগন্নাথপুরের কর্মরত সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। তারা অনতিবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?