সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সাপ-কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনা

বাংলাদেশ সীমান্তের নদী ও জলাভূমি এলাকায় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সাপ ও কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ভারত। এ বিষয়ে দেশটির ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ জারি হয়নি। রোববার (০৫ এপ্রিল) ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের যেসব অংশ নদী বা জলাভূমি দিয়ে গঠিত এবং যেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেসব এলাকায় ‘প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক’ হিসেবে সরীসৃপ ব্যবহারের ধারণা বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রায় ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার এলাকা নদী ও জলাভূমি হওয়ায় সেখানে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে এই পরিকল্পনা আলোচনায় এসেছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, ‘ডিটারেন্স-ফার্স্ট’ বা ভীতি-নির্ভর নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হিসেবে কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য নদীপথগুলো চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। এসব এলাকায় এমন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে। তবে প

সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সাপ-কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনা

বাংলাদেশ সীমান্তের নদী ও জলাভূমি এলাকায় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সাপ ও কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ভারত। এ বিষয়ে দেশটির ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ জারি হয়নি।

রোববার (০৫ এপ্রিল) ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের যেসব অংশ নদী বা জলাভূমি দিয়ে গঠিত এবং যেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেসব এলাকায় ‘প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক’ হিসেবে সরীসৃপ ব্যবহারের ধারণা বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রায় ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার এলাকা নদী ও জলাভূমি হওয়ায় সেখানে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে এই পরিকল্পনা আলোচনায় এসেছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ‘ডিটারেন্স-ফার্স্ট’ বা ভীতি-নির্ভর নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হিসেবে কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য নদীপথগুলো চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। এসব এলাকায় এমন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে। তবে পরিকল্পনাটি এখনো প্রাথমিক আলোচনা পর্যায়েই রয়েছে এবং বাস্তবায়ন হবে কিনা তা অনিশ্চিত।

এদিকে সীমান্ত নজরদারি জোরদার করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়াচ্ছে বিএসএফ। ড্রোন, সেন্সর, ক্যামেরাসহ বিভিন্ন উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইতোমধ্যে যুক্ত করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ব সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় বিএসএফের ৩২ ব্যাটালিয়ন একটি অভিযানে প্রায় ১ কোটি রুপির স্বর্ণসহ এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে।

এছাড়া ২০২৫ সালের নভেম্বরে একই জেলায় আরেকটি ঘটনায় বিএসএফ সদস্যরা চোরাচালান প্রতিরোধ করতে গিয়ে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক বাংলাদেশি চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র, ৯৬ বোতল ফেনসিডিল এবং বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow