সীমান্তে পুশ-ইন ও হত্যার প্রতিবাদে গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ, সীমান্ত হত্যা ও মাদক পাচারের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গণঅধিকার পরিষদ। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বিকেল ৪টায় পুরানা পল্টনের আল রাজী কমপ্লেক্সে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে পুরানা পল্টন মোড় ও জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড়ে গিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। প্রতিবাদ মিছিলে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। মিছিলের পর সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে বিপুল ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে। তাই দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব বা আধিপত্য মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্ব
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ, সীমান্ত হত্যা ও মাদক পাচারের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গণঅধিকার পরিষদ।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
বিকেল ৪টায় পুরানা পল্টনের আল রাজী কমপ্লেক্সে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে পুরানা পল্টন মোড় ও জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড়ে গিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
প্রতিবাদ মিছিলে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
মিছিলের পর সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে বিপুল ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে। তাই দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব বা আধিপত্য মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্বানও জানান তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সীমান্তপথে মাদক প্রবেশের কারণে দেশের যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে জনগণ, সরকার ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
দলের মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর প্রসঙ্গ উঠলে শেখ হাসিনাকেও দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ভারতের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পূর্বের নাম বিডিআর পুনর্বহালের দাবি জানান।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, ‘পুশ-ইন’-এর মাধ্যমে একটি বিশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে বলে তাদের আশঙ্কা রয়েছে। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে অবস্থানরত অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা দক্ষিণের সাবেক সভাপতি নাজিমউদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য শহিদুল ইসলাম ফাহিম, আব্দুজ জাহের, মাহফুজুর রহমান খান, হাবিবুর রহমান রিজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান, সহ-প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান, সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, যুব অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক মুনতাজুল ইসলাম এবং শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান প্রমুখ।
এমডিএএ/ইএ
What's Your Reaction?