সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা নিহত
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমঘুম সীমান্তবর্তী এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধীন রেজুআমতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আব্দুল খালেক (৩৫)। তিনি উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-১-এর ব্লক-সি এলাকার বাসিন্দা। বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত পিলার-৩৯ থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহালমের কলাবাগান এলাকায় কাজ করতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণের শিকার হন আব্দুল খালেক। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় জনসাধারণকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল এবং সীমান্ত এলাকায় অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলার জন্য নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ল্যান্ডমাইনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সতর্কতামূলক লিফলেটও বিতরণ করা হয়েছে।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমঘুম সীমান্তবর্তী এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধীন রেজুআমতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম আব্দুল খালেক (৩৫)। তিনি উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-১-এর ব্লক-সি এলাকার বাসিন্দা।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত পিলার-৩৯ থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহালমের কলাবাগান এলাকায় কাজ করতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণের শিকার হন আব্দুল খালেক। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় জনসাধারণকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল এবং সীমান্ত এলাকায় অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলার জন্য নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ল্যান্ডমাইনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সতর্কতামূলক লিফলেটও বিতরণ করা হয়েছে।
What's Your Reaction?