সুইসদের বিপক্ষে নাচের ভঙ্গিমায় উদযাপনের কারণ জানালেন ম্যাক অ্যালিস্টার

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-১ ব্যবধানের জয়ে গোল করে দলের হয়ে গোলের সূচনা করেছিলেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। এরপর তার করা উদযাপনটি টুর্নামেন্টের অন্যতম মজার মুহূর্তে পরিণত হয়। লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার টিকটকের একটি নাচের ভঙ্গি অনুকরণ করেছিলেন, যা স্টেডিয়ামে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়। এর পেছনের গল্পটি যেমন সহজ, তেমনই হাস্যরসাত্মক। এই উদযাপনটি সবাইকে চমকে দিলেও, ম্যাক অ্যালিস্টার এবং নিকোলাস গঞ্জালেসের জন্য এটি ছিল আগে থেকেই ঠিক করে রাখা একটি পরিকল্পনা। খোদ মিডফিল্ডারই বিস্তারিতভাবে সেই গল্পটি শুনিয়ে বলেন, ‘ছোট্ট ওই নাচটি ছিল একটি টিকটক ভিডিও যা নিকো গঞ্জালেস এবং আমি দেখেছিলাম। আমার স্ত্রী প্রথমে এটি আমাকে পাঠিয়েছিল। এরপর নিকো ও আমি সেটি দেখে বলেছিলাম আমাদের এটা করতেই হবে।’ সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলো যে যিনিই গোল করবেন, তাকেই ওই নাচের ভঙ্গিটি করতে হবে। অ্যালেক্সিসই প্রথম গোলটি করেন এবং এক মুহূর্তের জন্যও দ্বিধা করেননি। যদিও তিনি স্বীকার করেছেন যে নাচের ভঙ্গিটি নিখুঁত ছিল না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জা

সুইসদের বিপক্ষে নাচের ভঙ্গিমায় উদযাপনের কারণ জানালেন ম্যাক অ্যালিস্টার

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-১ ব্যবধানের জয়ে গোল করে দলের হয়ে গোলের সূচনা করেছিলেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। এরপর তার করা উদযাপনটি টুর্নামেন্টের অন্যতম মজার মুহূর্তে পরিণত হয়। লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার টিকটকের একটি নাচের ভঙ্গি অনুকরণ করেছিলেন, যা স্টেডিয়ামে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়। এর পেছনের গল্পটি যেমন সহজ, তেমনই হাস্যরসাত্মক।

এই উদযাপনটি সবাইকে চমকে দিলেও, ম্যাক অ্যালিস্টার এবং নিকোলাস গঞ্জালেসের জন্য এটি ছিল আগে থেকেই ঠিক করে রাখা একটি পরিকল্পনা। খোদ মিডফিল্ডারই বিস্তারিতভাবে সেই গল্পটি শুনিয়ে বলেন, ‘ছোট্ট ওই নাচটি ছিল একটি টিকটক ভিডিও যা নিকো গঞ্জালেস এবং আমি দেখেছিলাম। আমার স্ত্রী প্রথমে এটি আমাকে পাঠিয়েছিল। এরপর নিকো ও আমি সেটি দেখে বলেছিলাম আমাদের এটা করতেই হবে।’

সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলো যে যিনিই গোল করবেন, তাকেই ওই নাচের ভঙ্গিটি করতে হবে। অ্যালেক্সিসই প্রথম গোলটি করেন এবং এক মুহূর্তের জন্যও দ্বিধা করেননি। যদিও তিনি স্বীকার করেছেন যে নাচের ভঙ্গিটি নিখুঁত ছিল না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না আমি আমার সেরা নাচটা করতে পেরেছিলাম কি না, তবে যা-ই হোক, কাজটা তো হয়েছে।’

তার এই সততা মুহূর্তটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। নাচটি কেবল গোল উদযাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। দর্শকদের সামনে চূড়ান্ত উদযাপনের সময় ম্যাক অ্যালিস্টার আবারও সেই নাচটি করেন।এর কারণটিও ছিল আগের মতোই সহজ।

ম্যাক উল্লেখ করেন, নিকোলাস আমাকে বারবার ওটা করার জন্য উৎসাহিত করছিল, আর তাই ওটা আমার মাথায় গেঁথে গিয়েছিল।

শুরু থেকেই তার সঙ্গী গঞ্জালেস তাকে পিছু হটতে দেননি। স্টেডিয়ামের দর্শক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ছিল তাৎক্ষণিক। ম্যাক অ্যালিস্টারের সেই নাচ বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ও শেয়ার করা মুহূর্তে পরিণত হয়। এটি এমন একটি দলের গল্পের নতুন অধ্যায় যোগ করে, যারা মাঠে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাঠের বাইরে প্রদর্শন করে আনন্দ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য — যা এই প্রজন্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow